বিজ্ঞাপন
সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী ৫০ শয্যার এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একজন জুনিয়র মেকানিক থাকার কথা। সংশ্লিষ্ট নথিতে এ পদে সৈকত ঘোষ নামে একজন কর্মরত থাকলেও বাস্তবে তিনি পার্শ্ববর্তী ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরিসংখ্যান কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তৎকালীন সিভিল সার্জন ডা. মো. ইলিয়াস চৌধুরীর নির্দেশে সৈকত ঘোষ ডেপুটেশনে ফটিকছড়িতে যান। তবে অভিযোগ রয়েছে, তিনি হাটহাজারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকেই নিয়মিত বেতন-ভাতা উত্তোলন করছেন।
এদিকে, পদটি কাগজে পূর্ণ দেখানো থাকায় নতুন করে জনবল চাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ফলে হাসপাতালের বিভিন্ন বৈদ্যুতিক ও যান্ত্রিক ত্রুটি দ্রুত সমাধান করা যাচ্ছে না। এতে চিকিৎসা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি রোগীদের দুর্ভোগ বাড়ছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তাপস কান্তি মজুমদার বলেন, “আমি তাকে কখনো এই হাসপাতালে কর্মরত অবস্থায় দেখিনি। জুনিয়র মেকানিক পদে কেউ বাস্তবে কর্মরত নেই—বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।”
অভিযুক্ত সৈকত ঘোষ জানান, ২০২৩ সালের শুরুতে হাটহাজারীতে যোগদানের পর সিভিল সার্জনের নির্দেশেই তাকে ফটিকছড়িতে পাঠানো হয়। “এটি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত,”—বলেন তিনি।
এ বিষয়ে বর্তমান সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
হাটহাজারীবাসীর দাবি, দ্রুত এই জটিলতার সমাধান করে হাসপাতালে প্রয়োজনীয় জনবল নিশ্চিত করা হোক, যাতে সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে স্বাস্থ্যসেবা পেতে পারেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...