ভুক্তভোগী বৃদ্ধ দম্পতি।
বিজ্ঞাপন
ভুক্তভোগী মোতালেব মৃধা কাশিয়ানী উপজেলার শংকরপাশা এলাকার মৃত মগদু মৃধার জ্যেষ্ঠ সন্তান। বর্তমানে তিনি ও তার পরিবার নিজ পৈতৃক ভিটা হারিয়ে পথে বসার উপক্রম হয়েছেন।
আক্ষেপ প্রকাশ করে মোতালেব মৃধা জানান, জীবনের দীর্ঘ সময় রিকশা চালিয়ে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে তিনি তার ছোট ভাইদের মানুষ করেছিলেন। অথচ আজ বার্ধক্যের এই সময়ে সেই ভাইয়েরাই তার ভাগের সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে নিয়েছে। শুধু তাই নয়, কালনা সেতু প্রকল্পের টোল প্লাজার জন্য সরকারের অধিগ্রহণ করা পৈতৃক জমির বিপরীতে পাওয়া বিপুল অঙ্কের ক্ষতিপূরণের অর্থও তাকে না দিয়ে আত্মসাৎ করেছে অভিযুক্তরা।
এই ঘটনার প্রতিকার চেয়ে মোতালেব মৃধা বাদী হয়ে গোপালগঞ্জ আদালতে জাফর মৃধা, আবু মৃধা, আব্বাস মৃধা, নাজিম মৃধা, মামুন মৃধা ও সোহান মৃধাসহ মোট ৭ জনকে আসামি করে একাধিক মামলা দায়ের করেছেন। আদালত উক্ত বিরোধপূর্ণ জমির ওপর শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিষেধাজ্ঞা জারি করলেও অভিযুক্তরা তা তোয়াক্কা করছে না। উল্টো জমির বাঁশ কেটে বিক্রি এবং ভুক্তভোগী পরিবারের ওপর নানাভাবে অত্যাচার চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ভুক্তভোগী বৃদ্ধার ৮০ বছর বয়সী স্ত্রী জানান, প্রতিবাদ করলেই তাদের ওপর শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। তিনি অভিযোগ করেন, "গত কিছুদিন আগে আমাদের একটি গরুর বাছুরকে তারা কোপ মারে। এর কারণ জানতে চাইলে আব্বাস মৃধাসহ অন্যরা আমাকে কুপিয়ে জখম করে। আমি সাত দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলাম। তারা অনেক টাকার মালিক হওয়ায় আমাদের মতো গরিবের পাশে কেউ দাঁড়াচ্ছে না।"
বর্তমানে মামলাটি আদালতে চলমান থাকলেও প্রভাবশালী আসামিদের ভয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন মোতালেব মৃধা ও তার পরিবার। তারা এই অন্যায়ের প্রতিকার এবং পৈতৃক সম্পত্তি ফিরে পেতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...