বিজ্ঞাপন
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এই কর্মসূচি চলাকালীন প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কমিউনিটি ক্লিনিক, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ নির্ধারিত কেন্দ্রগুলোতে টিকা দেওয়া হবে। সাধারণ এলাকার পাশাপাশি দুর্গম অঞ্চলগুলোতেও শিশুদের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে স্থাপন করা হয়েছে অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, হাম ও রুবেলা অত্যন্ত সংক্রামক রোগ। হামের জটিলতা থেকে শিশুদের নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া ও এনকেফালাইটিসের মতো প্রাণঘাতী সমস্যা হতে পারে। অন্যদিকে, কোনো গর্ভবতী নারী রুবেলায় আক্রান্ত হলে তার গর্ভস্থ শিশুর মারাত্মক জন্মগত ত্রুটি বা ক্ষতির ঝুঁকি থাকে। তাই এই টিকাদান কর্মসূচি শিশুদের সুরক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
স্বাস্থ্য বিভাগ আরও নিশ্চিত করেছে যে, কোনো শিশু আগে এই টিকা দিয়ে থাকলেও বর্তমান ক্যাম্পেইনের আওতায় তাকে পুনরায় এমআর টিকা নিতে হবে। নিয়মিত কেন্দ্র থেকে কোনো শিশু বাদ পড়লে ক্যাম্পেইন চলাকালীন যেকোনো দিন সুবিধাজনক কেন্দ্র থেকে টিকা নেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।
এই বিশাল কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে আজ রোববার (১৯ এপ্রিল) বিকেলে জেলা সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা সিভিল সার্জন ডা. আবু সাঈদ মো. ফারুকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মেডিকেল অফিসার ডা. দিবাকর বিশ্বাস, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মেডিকেল অফিসার ডা. নিশাত তাসনিম এবং পরিসংখ্যানবিদ মনিরুল ইসলাম।
আগামীকাল ২০ এপ্রিল বেলা ১১টায় গোপালগঞ্জ পৌরসভায় এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন জেলা প্রশাসক মো. আরিফ-উজ-জ্জামান।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...