Logo Logo

টুঙ্গিপাড়ায় খাস জমি দখল করে পাকা স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ, নীরব প্রশাসন


Splash Image

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের গ‌ওহরডাঙ্গা চৌরঙ্গী মোড় এলাকায় সরকারি জমি দখল করে অবৈধভাবে পাকা স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে।


বিজ্ঞাপন


স্থানীয় প্রভাবশালী মোঃ ছিরু মোল্লার বিরুদ্ধে খালপাড় লেকপার্ক সংলগ্ন খাস জমিতে এই নির্মাণকাজ চালানোর অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী। প্রকাশ্যে কয়েকদিন ধরে কাজ চললেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে সরেজমিন অনুসন্ধানে দেখা যায়, গ‌ওহরডাঙ্গা চৌরঙ্গী মোড়ে খাস জমি দখল করে পুরোদমে পাকা স্থাপনা নির্মাণের কাজ চলছে। এই স্থাপনাটির পাশেই অবস্থিত চৌরঙ্গী জামে মসজিদ। মসজিদের মুসল্লিরা খালের ঘাটলায় অজু করতে যাওয়ার সময় এই অবৈধ নির্মাণের কারণে বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন। জনবহুল এই এলাকায় চলাচলের পথ সংকীর্ণ করে ভবনটি নির্মিত হওয়ায় সাধারণ মানুষের যাতায়াতেও বিঘ্ন ঘটছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয়রা জানান, ছিরু মোল্লা প্রভাবশালী হওয়ায় তার ভয়ে কেউ সরাসরি প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছেন না। প্রশাসনকে বারবার বিষয়টি জানানো সত্ত্বেও কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় অবৈধ দখলদাররা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। এক দোকান কর্মচারী পরোক্ষভাবে স্বীকার করেছেন যে, ঘরের ভেতরে বেশ কয়েক ফিট সরকারি জমি রয়েছে।

অভিযুক্ত ছিরু মোল্লা খাস জমি দখলের অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, তিনি তার ব্যক্তিগত জমিতেই নির্মাণকাজ চালাচ্ছেন। তবে কাজ করার সময় যদি সরকারি জমি সেখানে পাওয়া যায়, তবে তিনি যেকোনো প্রশাসনিক ব্যবস্থা মেনে নেবেন বলে জানান।

টুঙ্গিপাড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. শাহীন আলম এ প্রসঙ্গে বলেন, "স্থানটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের খাস খতিয়ানভুক্ত কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তে সরকারি জমি প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"

উল্লেখ্য, বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জহিরুল আলম ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল-আমিন হাওলাদারকে অবগত করার পর তারা দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলেও বর্তমানে কাজ অব্যাহত রয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, প্রশাসন যেন অবিলম্বে পূর্ণ তদন্তের মাধ্যমে এই অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে সরকারি জমি উদ্ধার করে।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...