Logo Logo

তেঁতুলিয়ায় বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর নির্মাণে নিম্নমানের ইট ব্যবহারের অভিযোগ


Splash Image

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর নির্মাণকাজে নিম্নমানের ইট ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। গত মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) উপজেলার মাঝিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রকল্পের কাজে ব্যবহারের জন্য অত্যন্ত নিম্নমানের দুই ও তিন নম্বর ইট এনে খোয়া তৈরির কাজ চলছে।


বিজ্ঞাপন


জানা গেছে, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৪) প্রকল্পের আওতায় ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিতে ১৯১ মিটার সীমানা প্রাচীর ও একটি গেট নির্মাণের কাজ চলছে। এই প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ২৬ লাখ ৪৮ হাজার ৪১৬ টাকা এবং চুক্তি মূল্য ২৩ লাখ ৪ হাজার ৬৬২ টাকা। ঠাকুরগাঁও আশ্রম পাড়ার জাভেদ শিকদারের লাইসেন্সে কাজটি করছেন স্থানীয় ঠিকাদার শাহাদাৎ হোসেন রঞ্জু। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্বে রয়েছে তেঁতুলিয়া উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তর।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্মাণকাজে সরাসরি নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হলেও ঠিকাদার প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা হওয়ায় ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না। প্রশাসনের যথাযথ তদারকির অভাবেই এমন অনিয়ম হচ্ছে বলে সচেতন মহলের ধারণা।

কাজের শ্রমিক সাগর জানান, পূর্বের সরবরাহকৃত ইটগুলো উন্নত মানের ছিল। তবে বর্তমানে ভাটা থেকে ভালো ইটের সাথে নিম্নমানের ইটও চলে এসেছে, যা ঠিকাদারকে ইতোমধ্যে অবহিত করা হয়েছে।

এই বিষয়ে অভিযুক্ত ঠিকাদার শাহাদাৎ হোসেন রঞ্জুর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি দাবি করেন, খোয়ার জন্য ব্যবহৃত ইটগুলো মূলত পিকেট ইট। পিকেট ইট কিছুটা আঁকাবাঁকা হয়। সরকারি কাজে ১ নম্বর পিকেট ইট ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা থাকলেও তিনি সেগুলোকে ১ নম্বর পিকেট হিসেবেই দাবি করেন এবং এক পর্যায়ে বিরক্তি প্রকাশ করেন।

তেঁতুলিয়া উপজেলা প্রকৌশলী ইদ্রিস আলী খান এ বিষয়ে বলেন, "কখন সাইটে ইট আনা হয়েছে বা কখন খোয়া তৈরি করা হয়েছে, সে বিষয়ে আমাদের কিছু জানানো হয়নি। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সরকারি কাজে কোনোভাবেই নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হবে না।" একই প্রতিশ্রুতির কথা জানিয়েছেন উপ-সহকারী প্রকৌশলী আলামিনও।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...