বিজ্ঞাপন
অভিযোগকারী শিক্ষক গত ২১ এপ্রিল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেন। তার দাবি, আন্দোলনের একটি বৈঠকে উপস্থিতির জন্য শিক্ষকরা যে স্বাক্ষর প্রদান করেছিলেন, পরবর্তীতে সেই স্বাক্ষরপত্রটিই অনুমতি ছাড়াই একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে যুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।
ফেসবুক স্ট্যাটাসে ওই শিক্ষক উল্লেখ করেন, “বিবৃতিতে আমাদের সকলের স্বাক্ষরপত্র অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কিন্তু আমরা স্বাক্ষর দিয়েছিলাম ওই বৈঠকের উপস্থিতি পত্র হিসেবে। আমরা কোনভাবেই বিবৃতি লেখার পরে তা পড়ে সই করিনি।” তিনি আরও বলেন, স্বাক্ষরপত্রটি বিবৃতিতে ব্যবহারের আগে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের অবহিত করা হয়নি, যার ফলে শিক্ষকরা বিষয়টির ওপর তাদের মতামত জানানোর সুযোগ পাননি।
এই প্রক্রিয়াকে ‘অত্যন্ত আপত্তিকর’ এবং ‘ব্যক্তি স্বাধীনতার পরিপন্থী’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন ওই শিক্ষক। তিনি তার লেখায় গুরুত্ব দিয়ে বলেন যে, বিবৃতির বিষয়বস্তু ভালো কি মন্দ—সেই তর্কের চেয়েও বড় বিষয় হলো শিক্ষকদের সম্মতি ছাড়া তাদের স্বাক্ষর ব্যবহার করা।
আন্দোলনরত শিক্ষকদের এমন কর্মকাণ্ডে বিস্ময় প্রকাশ করে তিনি ভবিষ্যতে এ ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান। শিক্ষকদের পদোন্নতি নিয়ে চলমান আন্দোলনের মধ্যে এমন অভ্যন্তরীণ অভিযোগ বিশ্ববিদ্যালয়ের সচেতন মহলে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...