বিজ্ঞাপন
স্থানীয়দের অভিযোগ, রেস্টুরেন্টটি বাইরে থেকে সুসজ্জিত ও খাবারের দোকান হিসেবে পরিচিত হলেও এর ভেতরে থাকা আবাসিক ব্যবস্থার আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ কার্যক্রম চলছে। সেখানে নিয়মিত মাদক কেনাবেচা ও সেবনের পাশাপাশি বহিরাগত নারীদের এনে দেহব্যবসা চালানো হয় বলে দাবি এলাকাবাসীর। বিশেষ করে কিশোর ও অপ্রাপ্তবয়স্কদের এসব কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হওয়ার বিষয়টি অভিভাবক ও সচেতন মহলকে সবচেয়ে বেশি ভাবিয়ে তুলছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রেস্টুরেন্টের অভ্যন্তরে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া তরুণ-তরুণীরা জোড়ায় জোড়ায় বসে সময় কাটাচ্ছে। গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতি টের পাওয়া মাত্রই অনেকে দ্রুত সেখান থেকে সরে যায়, যা জনমনে চলমান সন্দেহকে আরও ঘনীভূত করেছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে নতুন করে রং ও সংস্কার কাজ চলতে দেখা গেছে। স্থানীয়দের মতে, জনরোষ ও বিতর্ক এড়াতে এটি মালিকপক্ষের নতুন কৌশল হতে পারে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বাসিন্দা জানান, প্রতিদিন সেখানে বহিরাগতদের সন্দেহজনক যাতায়াত লক্ষ্য করা যায়। এর ফলে এলাকার সামাজিক পরিবেশ ও যুবসমাজ মারাত্মক নৈতিক অবক্ষয়ের সম্মুখীন হচ্ছে। জননিরাপত্তা ও সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তারা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
অভিযোগের বিষয়ে রেস্টুরেন্ট মালিক ফারুক হোসেন জানান, তারা মূলত রেস্টুরেন্ট ব্যবসাই পরিচালনা করেন। কেউ ব্যক্তিগতভাবে কোনো অনৈতিক কাজে জড়িয়ে পড়লে তা সবসময় তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকে না বলে তিনি দাবি করেন।
গোপালগঞ্জের সচেতন মহলের মতে, এই অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া জরুরি। দ্রুত আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা গেলে এলাকায় সুস্থ সামাজিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...