বিজ্ঞাপন
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণকে ব্যক্তিগত খামারের মতো ব্যবহার করে এ ধরনের কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। শ্রেণিকক্ষ ও লাইব্রেরিতে ধান ছড়িয়ে রাখায় এবং সেখানে বৈদ্যুতিক পাখা চালিয়ে ধান শুকানোর ফলে বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষা পরিবেশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুলতানার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অত্যন্ত দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য করেন। সরকারি সম্পদের এমন অপব্যবহারের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সরাসরি বলেন, “এটা আমাদের ব্যাপার।” প্রধান শিক্ষকের এমন উদ্ধত ও রহস্যজনক বক্তব্যে স্থানীয় সচেতন মহলের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ও সচেতন নাগরিকরা বলছেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবকাঠামো এবং বিদ্যুৎ শুধুমাত্র শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বরাদ্দ। ব্যক্তিগত প্রয়োজনে বিদ্যালয়ের সম্পদ ও বিদ্যুৎ ব্যবহার করা সরকারি কর্মচারী চাকরি আচরণবিধি এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নীতিমালার স্পষ্ট পরিপন্থী। প্রধান শিক্ষকের এমন কর্মকাণ্ডে বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক শৃঙ্খলা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয় এলাকাবাসী মনে করছেন, এমন অনিয়মের বিরুদ্ধে এখনই কঠোর পদক্ষেপ না নিলে সরকারি সম্পদের অপব্যবহার আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তারা সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...