Logo Logo

গোপালগঞ্জে ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ২১ রোগী হাসপাতালে


Splash Image

গোপালগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে আরও ২১ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আক্রান্তদের মধ্যে শিশু ও কিশোরদের সংখ্যাই বেশি। সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে গোপালগঞ্জ শেখ সায়েরা খাতুন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ জেলার ৬টি সরকারি হাসপাতালে পৃথক আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে।


বিজ্ঞাপন


সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, রোববার (২৬ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকে সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকাল ৯টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২১ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে ৬ জন, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২ জন, টুঙ্গিপাড়ায় ৩ জন, কোটালীপাড়ায় ৩ জন এবং মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৭ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে জেলার সরকারি হাসপাতালগুলোতে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৫৭ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

জেলার সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে গোপালগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. আবু সাইদ মোহাম্মদ ফারুক জানান, নতুন রোগীর সংখ্যা বাড়লেও সংক্রমণের এই হার বর্তমানে আশঙ্কাজনক পর্যায়ে নেই। অন্যান্য জেলার তুলনায় গোপালগঞ্জে সংক্রমণের মাত্রা তুলনামূলক কম।

তিনি আরও জানান, চলতি বছরে জেলায় এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৫১৯ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ১৮ জনের দেহে ল্যাব পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে, যারা বর্তমানে সুস্থ আছেন। ইতোমধ্যে ৪৬২ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরে গেছেন।

চিকিৎসা ও প্রতিরোধ ব্যবস্থা প্রসঙ্গে সিভিল সার্জন বলেন, "হামের ঝুঁকি মোকাবিলায় জেলায় ৮০টি শয্যা নিয়ে বিশেষ আইসোলেশন ওয়ার্ড প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং সেখানে পর্যাপ্ত ওষুধের ব্যবস্থা রয়েছে। গত ২০ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া টিকাদান (ভ্যাকসিনেশন) কর্মসূচি আগামী ১০ মে পর্যন্ত চলবে।"

স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে জনস্বার্থ রক্ষায় শিশুদের নিয়মিত টিকা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বর্তমান পরিস্থিতিতে অপ্রয়োজনে ঘরের বাইরে না যাওয়া এবং জনসমাগম এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...