বিজ্ঞাপন
সোমবার (২৭ এপ্রিল) শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জাকারিয়া ইসলাম বাবু স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই দাবিগুলো জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে চলমান পরিস্থিতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে দ্রুত সংকট সমাধানের আহ্বান জানানো হয়েছে।
ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে উত্থাপিত দাবিগুলো হলো— অতিসত্বর শিক্ষা কার্যক্রম সচল করতে হবে এবং শিক্ষার্থীদের স্বার্থে ‘শাটডাউন’ কর্মসূচি শিথিল করে পরীক্ষা ও ক্লাস পুনরায় চালু করতে হবে। দ্বিতীয়ত, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শিক্ষকদের আলোচনার মাধ্যমে জরুরি সিন্ডিকেট সভা ডেকে পদোন্নতি বিধিমালার জট খুলতে হবে, প্রয়োজনে ইউজিসির বিশেষ সমন্বয় নিশ্চিত করতে হবে। তৃতীয়ত, শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ডিগ্রির বৈধতা নিয়ে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তি দূর করতে সুনির্দিষ্ট প্রাতিষ্ঠানিক নিশ্চয়তা দিতে হবে। চতুর্থত, শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকায় যে ক্ষতি হয়েছে, তা পুষিয়ে নিতে বিশেষ ‘ক্র্যাশ প্রোগ্রাম’ বা অতিরিক্ত ক্লাসের মাধ্যমে সেশনজটমুক্ত ক্যাম্পাস নিশ্চিত করতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) প্রণীত অভিন্ন নীতিমালা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৫ সালের বিধিমালার আইনি ব্যাখ্যা নিয়ে শিক্ষক ও প্রশাসনের মধ্যকার দ্বন্দ্বে সাধারণ শিক্ষার্থীরা আজ বলির পাঁঠা হচ্ছে। শিক্ষকদের পদোন্নতি নিয়ে শঙ্কা এবং প্রশাসনের সীমাবদ্ধতার কারণে ক্লাস-পরীক্ষা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকা অত্যন্ত দুঃখজনক।
বিশেষ করে চূড়ান্ত বর্ষের শিক্ষার্থীরা এর ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। সময়মতো ডিগ্রি শেষ করতে না পারায় তারা কর্মসংস্থানের প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছেন এবং ভয়াবহ সেশনজটের আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন। যা তাদের এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
ছাত্রশিবির নেতৃবৃন্দ মনে করেন, পদোন্নতি সংক্রান্ত আইনি জটিলতা আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান সম্ভব। কিন্তু এর জন্য শিক্ষা কার্যক্রম পুরোপুরি স্থবির করে দেওয়া কোনো স্থায়ী সমাধান হতে পারে না। এই স্থবিরতা শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম হতাশা তৈরি করছে, যা তাদের ভবিষ্যতের জন্য নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...