বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) ভোরে উপজেলার সিংগাবরুণা ইউনিয়নের তরমুজ পাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে, যাতে ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন সফল মৎস্যচাষি এবি এম কায়ুম।
স্থানীয় ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, এবি এম কায়ুম তরমুজ পাড়া এলাকায় প্রায় ১০ একর জমির ওপর ১০টি পুকুরে মাছ চাষ করে আসছিলেন। প্রতিদিনের মতো সকালে পুকুরে খাবার দিতে গিয়ে মৎস্য খামারের কর্মী মকবুল হোসেন দেখেন, ১০টি পুকুরের মধ্যে ২টিতে বিপুল পরিমাণ মাছ মরে ভেসে উঠছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই মৃত মাছগুলো পুরো পুকুরজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা পূর্ব শত্রুতার বশবর্তী হয়ে পুকুরে বিষাক্ত কীটনাশক প্রয়োগ করেছে। ক্ষতিগ্রস্ত পুকুরগুলোতে রুই, কাতল, তেলাপিয়া ও সিলভার কার্পসহ বিভিন্ন প্রজাতির বড় মাছ ছিল।
ভুক্তভোগী চাষির দাবি, এই ন্যাক্কারজনক ঘটনায় তার আনুমানিক ১০ লাখ টাকারও বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
সর্বস্ব হারিয়ে কান্নাজড়িত কণ্ঠে এবি এম কায়ুম বলেন, অনেক স্বপ্ন আর কষ্টের পুঁজি নিয়ে এই মৎস্য খামারটি গড়ে তুলেছিলাম। এক রাতেই আমার সব শেষ হয়ে গেল। এই বর্বরোচিত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চান তিনি।
এদিকে এক পরিশ্রমী উদ্যোক্তার ওপর এমন হামলায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত দোষীদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। ভুক্তভোগী চাষি এই ঘটনায় থানায় মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...