বিজ্ঞাপন
শুক্রবার(৮ মে) বিকালে রামচন্দ্রেকুড়া গ্রামের অভিযুক্ত যুবকের মোবাইলে স্বীকারুক্তির পর শুক্রবার সন্ধ্যায় এলাকাবাসীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে থানা পুলিশ ওই মরদেহ বৃদ্ধ চাঁন মিয়া পাগলার টয়লেট থেকে উদ্ধার করা হয়।
একইসাথে এলাকাবাসীর হাতে আটক অভিযুক্ত যুবক বিল্লাল হোসেন এর বাবা চাঁন মিয়া, মা তহুরন নেছা ও বোন রাবিয়াকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।
ধারণা করা হচ্ছে, সানজিদা আক্তার নামে ওই কন্যাশিশুকে ধর্ষনের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করে নিজেদের টয়লেটে লুকিয়ে রেখেছিল বিল্লাল হোসেন।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, বাবা-মা হারা কন্যাশিশু সানজিদা তার নানী চাঁন ভানুর কাছে ছোটবেলা থেকে লালন-পালন হয়ে আসছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে সানজিদা প্রতিবেশী চাঁন মিয়া পাগলার বাড়িতে খেলতে যায়। সন্ধ্যার পর বাড়ি না ফিরলে স্বজনেরা তাকে রাতে থেকে শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত খোঁজাখুঁজি করেন। একপর্যায়ে সানজিদার স্বজনেরা বিল্লালের মা তহুরন নেছাকে চাপ সৃষ্টি করলে বিকেলে পলাতক ছেলে বিল্লালের মোবাইল নম্বর দেন।
পরে ওই নাম্বারে ফোন করে সানজিদার কথা জানতে চাইলে সে সানজিদাকে হত্যা করে নিজেদের টয়লেটে লুকিয়ে রেখেছে বলে স্বীকারোক্তি দেয়। পরে টয়লেটে গেলে সানজিদার মরদেহের সন্ধান পাওয়া যায়। এসময় এলাকাবাসী বিল্লালের বাবা-মা-বোনকে আটক করে পুলিশকে খবর দেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...