বিজ্ঞাপন
রোববার (১০ মে) সকাল ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তর, অর্থ ও হিসাব শাখা, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তর, জনসংযোগ এবং ডিন অফিসসহ গুরুত্বপূর্ণ কার্যালয়গুলোতে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। আন্দোলনরত শিক্ষকদের নির্দেশনা অনুযায়ী কর্মচারীরা এসব দপ্তরে তালা লাগান। এ সময় রেজিস্ট্রারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কার্যালয় ত্যাগ করতে বাধ্য হন।
জানা গেছে, ‘শিক্ষক সমাজ’-এর ব্যানারে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি প্রত্যাশী শিক্ষকরা সকাল ৯টা থেকে প্রশাসনিক ভবনের নিচতলায় অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। একপর্যায়ে তারা উপাচার্যকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন এবং রেজিস্ট্রারকে প্রশাসনিকভাবে উপাচার্যকে অসহযোগিতা করার আহ্বান জানান। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে চাপের মুখে রেজিস্ট্রার তার দপ্তর থেকে বেরিয়ে যান।
আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া ব্যবস্থাপনা বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক ধীমান কুমার রায় বলেন, "আমরা উপাচার্যকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছি এবং তাকে কোনো ধরনের প্রশাসনিক সহযোগিতা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ইতোমধ্যে বিভিন্ন প্রশাসনিক পদে থাকা তিনজন শিক্ষক পদত্যাগ করেছেন। পদোন্নতি বোর্ডের কার্যক্রম ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও উপাচার্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তা ঝুলিয়ে রেখেছেন।"
একই প্রসঙ্গে মার্কেটিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল কাইউম নিশ্চিত করেন যে, তাদের নির্দেশনাতেই প্রশাসনিক দপ্তরগুলোতে তালা ঝোলানো হয়েছে। কর্মচারীরাও শিক্ষকদের নির্দেশ পালনের কথা স্বীকার করেছেন।
এদিকে শিক্ষকদের এই কঠোর আন্দোলনের বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম বলেন, "যেকোনো সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব। শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন ব্যাহত করে এ ধরনের আন্দোলন কাম্য নয়। কেউ চাইলে ব্যক্তিগতভাবে কর্মবিরতি পালন করতে পারেন, কিন্তু অন্যের কাজে বাধা দেওয়া বা কাউকে কাজ থেকে বিরত রাখা সম্পূর্ণ আইনবিরোধী। এই ধরনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হব।"
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...