বিজ্ঞাপন
রোববার (১০ মে) তারা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে নিজেদের পদত্যাগপত্র ও আবেদন জমা দেন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, পদোন্নতির দাবিতে গত ২১ এপ্রিল থেকে ববির অন্তত ৬০ জন শিক্ষক আন্দোলনে নামেন। আন্দোলনরত শিক্ষকদের অভিযোগ, উপাচার্য বারবার আশ্বাস দিলেও পদোন্নতির বিষয়ে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেননি। অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলছে, সংবিধি প্রণয়ন না করে শিক্ষকদের পদোন্নতি দেওয়া আইনত সম্ভব নয়।
মূলত শনিবার (৯ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯৪তম সিন্ডিকেট সভায় সংবিধি প্রণয়ন ছাড়া পদোন্নতি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হওয়ার পর ক্যাম্পাস পুনরায় উত্তাল হয়ে ওঠে। এরিকপ্রেক্ষিতেই আজ দুপুরে প্রক্টর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন কম্পিউটার সাইন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. রাহাত হোসাইন ফয়সাল।
পদত্যাগের বিষয়ে ড. রাহাত বলেন, "উপাচার্যের কার্যক্রমে আমরা শিক্ষক-কর্মকর্তা সবাই চরমভাবে হতাশ। তিনি শিক্ষকদের নায্য অধিকার বা হক নষ্ট করছেন। সার্বিক বিষয় নিয়ে তাকে বারবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও কোনো সমাধান না আসায় আমি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।" তবে শিক্ষকদের এই আন্দোলন ও ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের বিষয়ে তিনি তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম জানান, তার কাছে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো পদত্যাগপত্র পৌঁছায়নি। তবে প্রক্টর সকালে তাকে মৌখিকভাবে অব্যাহতি দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছিলেন।
উল্লেখ্য, সংবিধি জটিলতায় শিক্ষকদের পদোন্নতি আটকে থাকার এই ঘটনায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্লাস-পরীক্ষা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...