বিজ্ঞাপন
সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যেসব শিক্ষার্থী দূরত্ব, আর্থিক সীমাবদ্ধতা কিংবা অন্যান্য কারণে ঈদের ছুটিতে বাড়ি যেতে পারেননি, মূলত তাদের ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতেই এই মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি হলটিতে অবস্থানরত ভিন্ন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় রাখা হয়েছে, যাতে উৎসবমুখর পরিবেশে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় থাকে।
এ বিষয়ে ছাত্রশিবিরের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বলেন, ঈদ সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও আনন্দের বার্তা বহন করে। কিন্তু ছুটিতে অধিকাংশ শিক্ষার্থী বাড়ি চলে গেলেও অনেকেই নানা সীমাবদ্ধতার কারণে হলে অবস্থান করতে বাধ্য হন। সেই শিক্ষার্থীরা যেন উৎসবের দিনে নিজেদের একা বা পরিবারহীন মনে না করেন, সেজন্যই এই আয়োজন করা হয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে অন্তত কিছু সময়ের জন্য হলেও শিক্ষার্থীদের মুখে আনন্দের হাসি ফুটবে।
জানা গেছে, ঈদের দিন দুপুরে শহীদ ওসমান হাদী হলের ডাইনিং কিংবা নির্ধারিত স্থানে আনুষ্ঠানিকভাবে এই মধ্যাহ্নভোজ অনুষ্ঠিত হবে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের কল্যাণে নেওয়া ছাত্রশিবিরের এমন উদ্যোগকে ইতিবাচক ও দায়িত্বশীল পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী।
প্রতিবেদক- মোঃ হাফিজ, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...