Logo Logo

৯ হাজার ৩১০ পিস ইয়াবাসহ নোয়াখালীর শীর্ষ মাদক কারবারি বুলেট ফারুক গ্রেপ্তার


Splash Image

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ-সেনবাগ উপজেলার তালিকাভুক্ত শীর্ষ মাদক কারবারি ওমর ফারুক ওরফে ‘বুলেট ফারুক’কে ৯ হাজার ৩১০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) ও র‍্যাবের যৌথ দল। এ সময় তার কাছ থেকে মাদক বিক্রির নগদ ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা, একটি রয়েল এনফিল্ড মোটরসাইকেল এবং দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।


বিজ্ঞাপন


বুধবার (১০ জুন) সন্ধ্যায় বেগমগঞ্জ উপজেলার জমিদারহাট পূর্ব বাজার এলাকার ফেনী-চৌমুহনী মহাসড়কে পরিচালিত যৌথ অভিযানে তাকে আটক করা হয়।

গ্রেপ্তার ওমর ফারুক ওরফে বুলেট ফারুক (৪৪) বেগমগঞ্জ উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের লতিফপুর গ্রামের কামাল উদ্দিন হাজীর বাড়ির মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, জেলার তালিকাভুক্ত শীর্ষ মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে চলমান বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় জমিদারহাট পূর্ব বাজারের ফেনী-চৌমুহনী মহাসড়ক থেকে বুলেট ফারুককে আটক করা হয়।

পরে তার দেহ তল্লাশি করে কোমর থেকে ৫ হাজার ৩১০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের টুলবক্স থেকে আরও ৪ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। সব মিলিয়ে তার কাছ থেকে ৯ হাজার ৩১০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া নগদ ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা, একটি রয়েল এনফিল্ড মোটরসাইকেল এবং দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

ডিএনসি জানায়, বুলেট ফারুক নোয়াখালীর সেনবাগ, বেগমগঞ্জ এবং ফেনীর দাগনভূঞা এলাকার অন্যতম শীর্ষ মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে নোয়াখালীর সেনবাগ ও বেগমগঞ্জ, চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড ও সিএমপির ডবলমুরিং এবং ফেনীর দাগনভূঞা থানায় অস্ত্র মামলাসহ মোট ১১টি মাদক মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকার করেছেন যে, নিজস্ব মোটরসাইকেল ব্যবহার করে প্রতি সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার চট্টগ্রাম থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে নোয়াখালীর বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করতেন। তার সরবরাহ নেটওয়ার্কের আওতায় বেগমগঞ্জের লতিফপুর, হাজীপুর, রসুলপুর ও জমিদারহাট, সেনবাগের সেবারহাট, ছবির মুন্সিরহাট ও কাবিলপুর এবং ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার বিভিন্ন খুচরা মাদক ব্যবসায়ী ছিল। নোয়াখালীতে তার নিয়ন্ত্রণে অন্তত তিনটি খুচরা মাদক সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে বলেও জানা গেছে।

এর আগে ২০২৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর ডিএনসির নোয়াখালী জেলা কার্যালয় ফেনীর দাগনভূঞা এলাকা থেকে তাকে ১১ হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করেছিল। পরে ওই বছরের ডিসেম্বর মাসে তিনি জামিনে মুক্তি পান এবং পুনরায় মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, নোয়াখালী জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক সুব্রত সরকার শুভ বলেন, “এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। জেলার তালিকাভুক্ত শীর্ষ মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদক নির্মূলে ডিএনসি কঠোর অবস্থানে রয়েছে।”

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...