বিজ্ঞাপন
রোববার (২৬ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সামনে দেশব্যাপী ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ আয়োজন করা হয়। পরে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন সংগঠনের নেতারা।
মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন ফরিদপুর হাড়ি সমাজের মণ্ডল শ্যামল জমাদার। এতে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ হরিজন ঐক্য পরিষদ, ফরিদপুর জেলা শাখার সাবেক আহ্বায়ক রিপন হাড়ি, বিদ্যুৎ হাড়িসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে হরিজন কলোনি উচ্ছেদের ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। তারা অভিযোগ করেন, পুনর্বাসনের কোনো ব্যবস্থা নিশ্চিত না করেই এসব উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এ ধরনের পদক্ষেপের সমালোচনা করে তারা বলেন, কোনো হরিজন কলোনি উচ্ছেদের আগে সেখানে বসবাসরত পরিবারগুলোর জন্য বিকল্প আবাসনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
মানববন্ধনে বক্তারা পরিচ্ছন্নতা কর্মীসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে হরিজন জনগোষ্ঠীর জন্য সংরক্ষিত ৮০ শতাংশ কোটার যথাযথ বাস্তবায়নের দাবি জানান। একই সঙ্গে সরকারি হাসপাতালসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে হরিজন সম্প্রদায়ের সদস্যদের নিয়োগের সুযোগ বৃদ্ধি এবং চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ ব্যবস্থা বাতিলেরও দাবি উত্থাপন করেন।
বক্তারা আরও বলেন, “আমরা এ দেশের নাগরিক। অন্য সব নাগরিকের মতো আমাদেরও সমান অধিকার রয়েছে। কিন্তু বাস্তবে নানা ক্ষেত্রে আমরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছি। এই বৈষম্যের অবসান ঘটিয়ে আমাদের সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।”
মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি শেষে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। এ সময় হরিজন সম্প্রদায়ের বিপুলসংখ্যক নারী-পুরুষ কর্মসূচিতে অংশ নেন।
সংগঠনের নেতারা আশা প্রকাশ করেন, তাদের দীর্ঘদিনের দাবি ও সমস্যাগুলো বিবেচনায় নিয়ে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং হরিজন জনগোষ্ঠীর সাংবিধানিক অধিকার, কর্মসংস্থান ও আবাসন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর উদ্যোগ নেবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...