বিজ্ঞাপন
যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামিতে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও ম্যাথিউস কুনহার গোলে স্কটল্যান্ডকে সহজেই হারিয়ে বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে ব্রাজিল। তবে সেলেসাও সমর্থকদের কাছে জয়ের চেয়েও বড় স্বস্তির খবর ছিল নেইমারের প্রত্যাবর্তন। চোটের কারণে দীর্ঘদিন জাতীয় দলের বাইরে থাকা এই ফরোয়ার্ড ম্যাচ শেষে মিক্সড জোনে নিজের অনুভূতির কথা বলতে গিয়ে বলেন, “আমি মারাত্মক আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছিলাম। ড্রেসিংরুমে একা বসে কেঁদেছি। এতদিন পর আবার এই অনুভূতিগুলো ফিরে পাওয়া আমার জন্য এক বিশাল স্বস্তির।”
ব্রাজিলের জার্সি গায়ে বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন কখনোই ছাড়েননি উল্লেখ করে নেইমার বলেন, “জাতীয় দলের হয়ে খেলা, বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া, এমনকি শিরোপা জেতার স্বপ্নও আমি সবসময় দেখেছি। তাই এই মুহূর্তটা আমার কাছে ভীষণ বিশেষ।”
দীর্ঘ বিরতির কঠিন সময়টা সহজ ছিল না জানিয়ে নেইমার বলেন, “খুব কঠিন সময় গেছে। কিন্তু আমি কখনো অনুশীলন বন্ধ করিনি। শেষ ২৫ দিন খুব কঠোর পরিশ্রম করেছি, যাতে মাঠে নামার জন্য প্রস্তুত থাকতে পারি।” নিজের ফিটনেস নিয়ে রসিকতা করে মজাচ্ছলে তিনি আরও বলেন, “এখন চাইলে আমি টানা ২০০ মিনিটও খেলতে পারি।”
তিন ম্যাচে ৪ গোল করা সতীর্থ ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের প্রশংসা করে নেইমার বলেন, “এই মুহূর্তে সে আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। সে দুর্দান্ত ছন্দে আছে এবং একাই ম্যাচের ভাগ্য বদলে দিতে পারে। সামনে নকআউট পর্ব, তাই ওর মতো খেলোয়াড় আমাদের বড় শক্তি।”
কথাপ্রসঙ্গে উঠে আসে লিওনেল মেসির প্রসঙ্গ। ঘটনাচক্রে এদিনই (২৪ জুন) ৩৯ বছরে পা দিয়েছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা, যিনি চলতি বিশ্বকাপে ইতোমধ্যে ১৮ গোল করে ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন। পিএসজি ও বার্সেলোনার সাবেক সতীর্থ ও দীর্ঘদিনের বন্ধু মেসিকে নিয়ে নেইমার বলেন, “মেসি মাঠের ভেতরের চেয়ে বাইরের মানুষ হিসেবে আরও বেশি ভালো। মাঠে সে কতটা অসাধারণ, সেটা তো সবাই জানে। তাহলে ভাবুন, মাঠের বাইরে সে কতটা চমৎকার মানুষ!”
দুজনের এখনও নিয়মিত যোগাযোগ হয় জানিয়ে নেইমার বলেন, “আমাদের নিয়মিত কথা হয়। এই বিশ্বকাপ চলাকালেও কথা হয়েছে। সে জানে, আমি তাকে কতটা ভালোবাসি এবং শ্রদ্ধা করি।” সবশেষে আর্জেন্টিনার সমর্থকদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এই সেলেসাও তারকা বলেন, “আর্জেন্টিনার মানুষের কাছ থেকে আমি সবসময় অনেক ভালোবাসা পেয়েছি। তাদের সবাইকে ধন্যবাদ।”
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...