বিজ্ঞাপন
পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ঝালকাঠির উদ্যোগে আয়োজিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে সভার আগে ট্রলারে করে ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করা হয় এবং নদীতীরে জিও ব্যাগ ফেলা শুরু করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন, পুলিশ সুপার (ভারপ্রাপ্ত) মামুন আল ইসলাম, রাজাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আরা মৌরি, কাঁঠালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মকবুল হোসেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড ঝালকাঠির নির্বাহী প্রকৌশলী এ.কে.এম. নিলয় পাশাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
পরে বড়ইয়া ইউনিয়ন সংলগ্ন বিষখালী নদীর ভাঙন পরিস্থিতি, কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা সভা ও দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এ.কে.এম. নিলয় পাশা।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এ.কে.এম. নিলয় পাশা বলেন, বিষখালী নদীর অব্যাহত ভাঙনে বড়ইয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার বসতবাড়ি, কৃষিজমি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হুমকির মুখে পড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রাথমিকভাবে চারটি প্যাকেজের আওতায় জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু করা হয়েছে। পাশাপাশি নদীর এ অংশে একটি স্থায়ী নদী সংরক্ষণ প্রকল্প (স্কিম) গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম জামাল বলেন, বিষখালী নদীর ভয়াবহ ভাঙনে এলাকার মানুষের জীবন-জীবিকা ও সম্পদ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। তাই ক্ষয়ক্ষতি মূল্যায়নের পাশাপাশি দ্রুত টেকসই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণে সরকার কাজ করছে। জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে এবং পরবর্তীতে স্থায়ী সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন বলেন, প্রস্তাবিত স্থায়ী প্রকল্পটি অনুমোদন ও বাস্তবায়িত হলে দীর্ঘমেয়াদে নদীভাঙন নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে এবং নদীতীরবর্তী মানুষের বসতবাড়ি, কৃষিজমি ও অবকাঠামো সুরক্ষিত থাকবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...