বিজ্ঞাপন
অভিযুক্ত বাবুল কুলুর বাবার নাম সঙ্ঘুনাথ কুলু। তাদের গ্রামের বাড়ি বাগেরহাট জেলার মোরেলগঞ্জ উপজেলার সন্ন্যাসী খেজুরবাড়িয়া এলাকায়। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পাথরঘাটা উপজেলার কাঁঠালতলী বাজারে স্বর্ণকার ও বন্ধকী ব্যবসায়ী হিসেবে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগীদের পক্ষে নাজমুল হাসান রাসেল বলেন, ‘আমরা সরল বিশ্বাসে বাবুল কুলুর কাছে আমাদের স্বর্ণালংকার বন্ধক রাখি। কিন্তু তিনি সেই বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে গত ২৭ জুন থেকে বন্ধক রাখা স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা নিয়ে আত্মগোপনে চলে গেছেন। এখন আমরা চরম অনিশ্চয়তা ও দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছি।’
ভুক্তভোগী শিক্ষক বিবেকানন্দ হাওলাদার বলেন, ‘মিষ্টভাষী ও ভালো ব্যবহারের মাধ্যমে বাবুল স্থানীয়দের আস্থা অর্জন করেছিলেন। দীর্ঘদিন এলাকায় ব্যবসা পরিচালনার পাশাপাশি মেয়ের বিয়েও দিয়েছেন। হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে সবার সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন। আমার ছেলে ঢাকায় ওষুধের ব্যবসা করেন। ব্যবসায়িক প্রয়োজনে বাড়ির স্বর্ণালংকার বন্ধক রেখে বাবুলের কাছ থেকে এক লাখ টাকা ঋণ নিয়েছিলাম। পরে সুদসহ এক লাখ ২৭ হাজার টাকা পরিশোধ করলেও তিনি স্বর্ণালংকার ফেরত দিতে নানা অজুহাত দেখাতে থাকেন। একপর্যায়ে তিনি আত্মগোপনে চলে যান।’
অপর ভুক্তভোগী খলিল জমাদার বলেন, ‘আমরা আমাদের স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা ফেরত চাই। প্রশাসনের কাছে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।’
গৃহিণী হাওয়া আক্তার বলেন, ‘পাথরঘাটা থানা পুলিশের প্রতি আমাদের আবেদন, দ্রুত অভিযুক্তকে আইনের আওতায় এনে আমাদের স্বর্ণালংকার ও টাকা উদ্ধার করা হোক। অন্যথায় অনেক পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়বে।’
এ বিষয়ে পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: আব্দুল আলীম বলেন, ‘এ ঘটনায় এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা নিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আত্মগোপনে গেছেন। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...