বিজ্ঞাপন
তবে আসন্ন এই হাইভোল্টেজ মেগা ফাইনালের সব আলো কেড়ে নিচ্ছেন দুই প্রজন্মের দুই মহাতারকা— আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি এবং স্পেনের বিস্ময় বালক লামিনে ইয়ামাল। মাঠের মহারণের আগে ফুটবল দুনিয়ায় তুমুল আলোচনায় উঠে এসেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া তাদের সেই ঐতিহাসিক পুরনো ছবি, যেখানে মাত্র ছয় মাস বয়সী ইয়ামালকে গোসল করিয়ে কোলে নিয়ে হাসতে দেখা গিয়েছিল তরুণ মেসিকে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই ছবির গল্প ও ফাইনাল নিয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেছেন স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড।
২০০৭ সালে বার্সেলোনা ফাউন্ডেশন ও ইউনিসেফের একটি দাতব্য প্রচারণার ক্যালেন্ডারের অংশ হিসেবে তোলা হয়েছিল সেই ঐতিহাসিক ছবি। ইউনিসেফের এক বিশেষ লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত কয়েকটি সাধারণ পরিবারের সঙ্গে ফটোশুটে অংশ নিয়েছিলেন তৎকালীন ২০ বছর বয়সী বার্সার উদীয়মান তারকা লিওনেল মেসি।
নিয়তির কী অদ্ভুত পরিহাস, লটারিতে নির্বাচিত সেই পরিবারগুলোর একটি ছিল ইয়ামালের পরিবার! তখন ছবি তোলার সময় কেউ দূরতম কল্পনাতেও ভাবেনি যে এই ছবির তরুণটি একদিন ফুটবলের সর্বকালের সেরা হবেন, আর তার কোলে থাকা ওই ফুটফুটে শিশুটি মাত্র ১৬-১৭ বছর বয়সেই হয়ে উঠবেন বিশ্ব ফুটবলের নতুন সেনসেশন।
স্পেন দলের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হয়ে ওঠা ইয়ামাল সম্প্রতি ক্রীড়াভিত্তিক ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ‘ডিএজেডএন’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মেসির মুখোমুখি হওয়া প্রসঙ্গে বলেন, “আমি এখন কিছুটা বড় হয়েছি, লিও’র বয়সও বেড়েছে। আশা করছি ফাইনালে ওর মুখোমুখি হতে পারব। বিশেষ করে ইউরো ও কোপা চ্যাম্পিয়নদের মধ্যকার ‘ফিনালিসিমা’ ম্যাচটি যেহেতু (ব্যস্ত সূচির কারণে) মাঠে গড়ায়নি, তাই এই বিশ্বকাপের ফাইনালটি আমার জন্য মেসির মুখোমুখি হওয়ার অনেক বড় ও স্বপ্নের সুযোগ।”
নিয়তি আজ ১৯ বছর পর তাদের আবারও একই বিন্দুতে নিয়ে এসেছে। তবে এবার প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ ভিন্ন। তারা কোনো দাতব্য অনুষ্ঠান বা ফটোশুটের জন্য ফ্রেমবন্দি হতে একসঙ্গে দাঁড়াবেন না; এবার তারা মুখোমুখি হবেন বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ট্রফি উঁচিয়ে ধরার মরণ-বাঁচন লড়াইয়ে।
মেসির শেষ বিশ্বকাপ নাকি ইয়ামালের হাত ধরে স্পেনের দ্বিতীয় শিরোপা— ১৯ জুলাই মেটলাইফ স্টেডিয়ামের মাঠই বলে দেবে কার ভাগ্যে লেখা আছে ২০২৬ বিশ্বকাপের স্বর্ণালী ইতিহাস।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...