বিজ্ঞাপন
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার সরকারি কাজে গোপালগঞ্জে আসেন মাহমুদুল। কাজ শেষ করে তিনি পাইকান্দি পূর্বপাড়া গ্রামে তাঁর শ্বশুরবাড়িতে ওঠেন। সোমবার (২৭ জুলাই) সকাল সাড়ে নয়টার দিকে শ্বশুরবাড়ির পাশের একটি পুকুরে তাঁর মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয় শিশুরা। পরে নিহতের স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন মরদেহটি উদ্ধার করে রাস্তার পাশে একটি ভ্যানে এনে রাখেন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
এদিকে, নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দশ বছর আগে বিয়ের পর থেকে মাহমুদুল ছুটিতে এলে নিজ গ্রাম বিজয়পাশায় না গিয়ে শ্বশুরবাড়িতেই থাকতেন। নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, স্ত্রীর পরকীয়া সংক্রান্ত জটিলতার কারণে তাঁদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ চলছিল। স্ত্রীর মানসিক চাপ ও পারিবারিক কোন্দলের কারণেই মাহমুদুল নিজের বাড়িতে যেতে পারতেন না বলেও দাবি তাঁদের।
পুলিশ জানায়, মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন এবং ময়নাতদন্তের রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের স্ত্রী কানিজ ফাতেমা ও শ্বশুর ঝুনু শেখকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...