বিজ্ঞাপন
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন পানি সম্পদ মন্ত্রী মো. শহিদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এবং রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. হারুন অর রশিদ। এছাড়া রাজবাড়ী জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম মিয়া, জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভিন, পুলিশ সুপার মো. মনজুর মোরশেদসহ প্রকল্প সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বিপুলসংখ্যক এলাকাবাসী এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার হাবাসপুর ইউনিয়নের পদ্মা নদীর পয়েন্টে এই মেগা ব্যারেজটি নির্মিত হতে যাচ্ছে। প্রকল্পটির প্রাথমিক সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা। ব্যারেজটি বাস্তবায়িত হলে পদ্মা অববাহিকার সেচ সুবিধা বৃদ্ধি, পানির স্তর রক্ষা, খরা মোকাবিলা এবং লবণাক্ততা প্রতিরোধসহ দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মোট ২৪টি জেলার মানুষ সরাসরি এর সুফল ভোগ করবেন।
দীর্ঘদিন ধরে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে শুকনো মৌসুমে পানির তীব্র সংকট এবং সেচ ব্যবস্থার অচলাবস্থা দূর করতে এই পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছিলেন কৃষিবিদ, পরিবেশবিদ ও সাধারণ মানুষ। ফারাক্কা বাঁধের বিরূপ প্রভাব কাটিয়ে ভূগর্ভস্থ ও ভূ-উপরিস্থ পানির সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতে এই প্রকল্পটিকে অন্যতম প্রধান জাতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
প্রকল্পের অগ্রগতি প্রসঙ্গে জানা গেছে, সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে সুবিধাজনক সময়ে রাজবাড়ীতে সশরীরে উপস্থিত হয়ে বহুল কাঙ্ক্ষিত এই পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ কাজের আনুষ্ঠানিক ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...