Logo Logo

বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরায় পৌর দীঘিতে মৎস্য পোনা অবমুক্তকরণ


Splash Image

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরায় এক ব্যতিক্রমী ও জনবান্ধব কর্মসূচি পালিত হয়েছে। দলটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের অংশ হিসেবে জেলা বিএনপি এবং এর সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে স্থানীয় একটি উন্মুক্ত জলাশয়ে মৎস্য পোনা অবমুক্ত করা হয়।


বিজ্ঞাপন


শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কসংলগ্ন ঐতিহ্যবাহী পৌর দীঘিতে আনুষ্ঠানিকভাবে বিভিন্ন দেশীয় প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়। রাজনৈতিক আনুষ্ঠানিকতার বাইরে এসে প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা ও সাধারণ মানুষের কল্যাণে এমন উদ্যোগ স্থানীয় মহলে বেশ প্রশংসিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে দীঘির পানিতে মৎস্য পোনা অবমুক্ত করেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট ইফতেখার আলী এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক তারিকুল হাসান।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি অ্যাডভোকেট কামরুজ্জামান ভূট্টো এবং জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও বর্তমান জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শেখ শরিফুজ্জামান সজীব। এ ছাড়া জেলা বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদলসহ সহযোগী বিভিন্ন ইউনিটের বিভিন্ন স্তরের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী এ কর্মসূচিতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।

কর্মসূচিতে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি অ্যাডভোকেট কামরুজ্জামান ভূট্টো দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, "বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সবসময় এমন কর্মসূচি পছন্দ করেন, যা সরাসরি জনকল্যাণে ভূমিকা রাখে এবং সাধারণ মানুষের উপকারে আসে। তাঁর সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা অনুসারেই আমরা এ ধরনের কল্যাণমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি।"

তিনি আরও উল্লেখ করেন, নিছক আনুষ্ঠানিকতা বা উৎসবের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন আনাই এখন রাজনীতির মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত। সাতক্ষীরার এই উদ্যোগ থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে সারা দেশের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরাও নিজ নিজ এলাকায় এমন জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি গ্রহণ করবেন বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

উপস্থিত নেতারা জানান, বিএনপি সবসময় সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের পাশাপাশি দেশের পরিবেশ ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির কথা চিন্তা করে। উন্মুক্ত জলাশয়ে মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধি পেলে স্থানীয় বাস্তুতন্ত্র যেমন উপকৃত হবে, তেমনি সাধারণ মানুষের পুষ্টির চাহিদাও পূরণ হবে। কর্মসূচি শেষে দেশ ও জাতির শান্তি এবং অগ্রগতি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...