বিজ্ঞাপন
সোমবার (২৭ জুলাই) সকাল ১১টায় উপজেলার ওয়াবদার হাট এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে বিশেষ ক্ষমতা ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়েরকৃত একটি মামলায় অজ্ঞাত আসামি হিসেবে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে জেলহাজতে পাঠায় কোটালীপাড়া থানা পুলিশ।
আটককৃত আলিউজ্জামান দুলাল উপজেলার পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত মইজউদ্দিন শেখের ছেলে এবং সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেল, কোটালীপাড়া উপজেলা শাখার সভাপতি কামরুল হাসানের ছোট ভাই।
ঘটনার বিষয়ে পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই কোটালীপাড়া উপজেলার ওয়াবদার হাট এলাকায় আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা জড়ো হয়ে মহাসড়কে গাছ ফেলে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। এতে জনমনে আতঙ্কের সৃষ্টি হয় এবং সাধারণ মানুষের চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।
উক্ত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কোটালীপাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) উত্তম কুমার সেন বাদী হয়ে ১৫৫ জনের নাম উল্লেখ এবং আরও ১ হাজার ৫০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় আলিউজ্জামান দুলালকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
কোটালীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রিয়াদ মাহমুদ জানান, ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে মামলার অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে আলিউজ্জামান দুলালকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অন্যদিকে, আলিউজ্জামান দুলালের পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, সম্পূর্ণ ষড়যন্ত্রমূলকভাবে তাকে এই মামলায় ফাঁসান হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত দুলালের ভাই সাংবাদিক কামরুল হাসান বলেন, "আমার ভাই পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি। সে কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মী বা সমর্থক নয়। ঘটনার দিন সে ওয়াবদারহাট বাজারে সড়কের পাশের একটি দোকানে রাজমিস্ত্রির কাজ করছিল। ঘটনার দুই বছর পর ষড়যন্ত্রমূলকভাবে সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করায় আমরা স্তম্ভিত।"
তিনি আরও অভিযোগ করেন, এজাহারনামীয় মূল আসামিরা এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করছে না। অবিলম্বে তিনি আলিউজ্জামান দুলালের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...