ছবিঃ ইন্টারনেট
বিজ্ঞাপন
মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক সংঘাতের উত্তাপ ও টেকসই শান্তির অনিশ্চয়তার সরাসরি প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে। ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যস্থতায় কূটনৈতিক আলোচনার খবর এলও বাস্তবে কোনো সমঝোতা না হওয়ায় বাজারে মারাত্মক অস্থিরতা বিরাজ করছে। এমন পরিস্থিতিতে টানা তিন দিনের দরপতন পেছনে ফেলে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরনের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা দিয়েছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) কাতারভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে বিশ্বজুড়ে তেলের দাম বাড়ার এই চিত্র সামনে আসে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, আন্তর্জাতিক বাজারের প্রধান বেঞ্চমার্ক 'ব্রেন্ট ক্রুড'-এর দাম ব্যারেল প্রতি ৩.২৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৮৬.৮৬ মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। মধ্যপ্রাচ্যে গভীর রাতে নতুন করে কিছু এলাকায় সামরিক হামলার খবর ছড়িয়ে পড়ার পরপরই আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের চাহিদা ও দামে এই অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা যায়।
বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক সংঘাত কেন্দ্রিক চলমান কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার দ্রুত পরিবর্তন এবং খবরগুলোর ওঠানামা বাজারের স্বাভাবিক গতিপথ নির্ধারণ করা বেশ কঠিন করে তুলেছে। কোনটি সাময়িক গুজব আর কোনটি দীর্ঘমেয়াদি সংকেত, তা চিনতে বিনিয়োগকারীরা হিমশিম খাচ্ছেন। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে সামান্যতম উত্তেজনার খবর এলেই সরাসরি প্রভাব পড়ছে তেলের দামে।
কূটনৈতিক পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যুদ্ধ বিরতি ও স্থায়িত্ব ফেরানোর চেষ্টা চালানো হলেও বাস্তবে শান্তির দেখা মেলেনি। সরবরাহ ব্যবস্থা বা 'সাপ্লাই চেইন' ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় বিশ্ববাজারের আমদানিকারকরা আগাম তেল মজুদ ও কেনাবেচায় ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক উত্তেজনা স্থায়ী সমাধান না পাওয়া পর্যন্ত আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মূল্যের এই অস্থিরতা কমার সম্ভাবনা নেই।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...