বিজ্ঞাপন
এজাহার সূত্রে জানা গেছে, বৈকারী গ্রামের বাসিন্দা মো. মাহমুদ হাসান তাঁর ভগ্নিপতি আশরাফ উদ্দিনের পক্ষে বুধবার (২৯ জুলাই) থানায় এই লিখিত অভিযোগটি পেশ করেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, বৈচানা মৌজার পৈতৃক জমিজমা নিয়ে আশরাফ উদ্দিনের সাথে তাঁর বৈমাত্রেয় দুই ভাই আজহারুল ইসলাম শিমুল ও আক্তারুল ইসলামের দীর্ঘদিন ধরে কোন্দল চলছিল। ইতিপূর্বে জমি মাপজোখ ও সীমানা নির্ধারণের ধারাবাহিকতায় উভয় পক্ষের মধ্যে কয়েক দফায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং বিবাদীরা বিভিন্ন সময়ে প্রাণনাশের হুমকি প্রদর্শন করে আসছিলেন।
অভিযোগপত্র অনুযায়ী, বুধবার সকালে জমি মাপজোখের কাজ শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে পল্লীশ্রী চার রাস্তার মোড়ে পৌঁছালে আশরাফ উদ্দিন ও তাঁর ছেলে ওমর ফারুকের গতিপথ রোধ করে হামলাকারীরা। এ সময় বিবাদীরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তাঁদের ওপর চড়াও হয়। এজাহারে দাবি করা হয়, প্রধান অভিযুক্ত আজহারুল ইসলাম শিমুল ধারালো দা দিয়ে আশরাফ উদ্দিনের মাথায় একাধিক কোপ মারেন, এতে তিনি আশঙ্কাজনকভাবে রক্তাক্ত হন।
একই সময়ে অপর অভিযুক্ত আক্তারুল ইসলাম লোহার রড দিয়ে আশরাফ উদ্দিনের ছেলে ওমর ফারুককে মারধর করেন এবং একপর্যায়ে তাঁকে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা চালানো হয় বলেও নথিতে উল্লেখ রয়েছে। এর পাশাপাশি আহত আশরাফ উদ্দিনের জামার পকেটে সংরক্ষিত নগদ ১৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়।
ঘটনার পরপরই স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা দ্রুত এগিয়ে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁদের উদ্ধার করে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন এবং শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসার পরামর্শ প্রদান করেন।
এই অনভিপ্রেত ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে মোছা. ফাতেমা খাতুন ও মো. ইব্রাহিম খলিলসহ স্থানীয় কয়েকজনকে সাক্ষী করা হয়েছে।
ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করে আজহারুল ইসলাম শিমুল, আক্তারুল ইসলাম এবং রইচ উদ্দিন দফাদারকে অভিযুক্ত করে সাতক্ষীরা সদর থানায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করা হয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...