বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদ হলরুমে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সিডোর বাস্তবায়নে এবং একশনএইড বাংলাদেশের সহযোগিতায় ‘একফরটি’ (ACTFORIT) প্রকল্পের আওতায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। যুব-নেতৃত্বে স্থানীয় পর্যায়ে তরুণদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং টেকসই জীবিকা নিশ্চিত করাই ছিল আয়োজনটির মূল লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানে সাতক্ষীরার বিভিন্ন প্রান্তিক ও দূরবর্তী এলাকা থেকে প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ জন তরুণ-তরুণী ও যুব নারী অংশ নেন। কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের পছন্দ ও সুবিধাজনক বিভিন্ন কারিগরি ট্রেডে প্রশিক্ষণ নেওয়ার জন্য নাম তালিকাভুক্ত করেন।
সিডোর প্রধান নির্বাহী শ্যামল কুমার বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক সঞ্জিত কুমার দাস, সাতক্ষীরা টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টারের (টিটিসি) অধ্যক্ষ অপু হালদার, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. আজিজুল হক, টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টারের জব প্লেসমেন্ট অফিসার মো. আরিফুল ইসলাম, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মুশিদ আলম এবং মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের প্রশিক্ষক মোছা. লুৎফুন নাহার বিথীসহ সংশ্লিষ্টরা।
অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া সানজিদা নাহার শোভা বলেন, ‘দক্ষতায় শক্তি’—এই ভাবনা নিয়ে ‘ট্যালেন্ট হান্ট ২০২৬’-এ একজন তরুণী হিসেবে অংশ নিতে পেরে তিনি আনন্দিত। পিছিয়ে পড়া যুব ও নারীদের আত্মনির্ভরশীল করে তুলতে বাস্তবভিত্তিক কারিগরি প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সিডো ও একশনএইড বাংলাদেশকে এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে সানজিদা নাহার শোভা প্রত্যাশা করেন, সাতক্ষীরার প্রতিটি প্রান্তে যেন এ ধরনের প্রশিক্ষণের সুযোগ পৌঁছে দেওয়া হয়। এতে তরুণ ও নারী সমাজ দক্ষ হয়ে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বক্তারা বলেন, আধুনিক কর্মসংস্থানের বাজারে টিকে থাকতে কারিগরি ও বাস্তবভিত্তিক দক্ষতা অর্জনের কোনো বিকল্প নেই। ‘ট্যালেন্ট হান্ট ২০২৬’-এর মতো উদ্যোগ পিছিয়ে পড়া যুবসমাজকে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার সুযোগ তৈরি করবে। পাশাপাশি দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে ওঠার মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...