বিজ্ঞাপন
বুধবার (১৯ আগস্ট) হোয়াইট হাউসে নতুন একটি হেলিপ্যাড উদ্বোধন করেন ট্রাম্প। এ সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে উত্তর কোরিয়ার পরমাণু সক্ষমতা নিয়ে কথা বলেন তিনি।
ট্রাম্প বলেন, “তার (কিম জং উন) কাছে ৫৭টি শক্তিশালী পরমাণু বোমা আছে। এটা কখনোই ঘটতে দেওয়া উচিত ছিল না। আমি যদি (জো বাইডেনের মেয়াদে) প্রেসিডেন্ট থাকতাম, তাহলে এটা হতে দিতাম না।”
তিনি আরও বলেন, “কিন্তু তিনি পরমাণু বোমা তৈরিতে সফল হয়েছেন এবং তার কাছে সেগুলো আছে। কিমের সঙ্গে আমার খুবই ভালো সম্পর্ক। আমি ইরানকে কখনো পরমাণু অস্ত্রের মালিক হতে দেব না এবং আমি কিম জং উনকে খুব ভালোভাবে চিনি। আমি জানি, তিনি ভালোই থাকবেন।”
এদিকে সম্প্রতি হোয়াইট হাউস সূত্রে জানা গেছে, আগামী নভেম্বরে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ২১টি দেশের জোট এশিয়া-প্যাসিফিক ইকোনমিক কো-অপারেশন (এপেক) সম্মেলনে যোগ দিতে চীন সফরে যেতে পারেন ট্রাম্প। ওই সফরে কিম জং উনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
সাংবাদিকরা কিমের সঙ্গে সম্ভাব্য বৈঠক নিয়ে প্রশ্ন করলে ট্রাম্প সরাসরি বলেন, “হ্যাঁ, আমি আগ্রহী।”
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে ডোনাল্ড ট্রাম্পই একমাত্র প্রেসিডেন্ট, যিনি উত্তর কোরিয়ার কোনো সর্বোচ্চ নেতার সঙ্গে সরাসরি বৈঠক করেছেন। নিজের প্রথম মেয়াদে ২০১৬ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত কিম জং উনের সঙ্গে তিন দফা বৈঠক করেন তিনি।
২০১৮ সালে সিঙ্গাপুরে প্রথমবারের মতো দুই নেতার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এর পর ২০১৯ সালে ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয়ে দ্বিতীয় বৈঠক হয়। একই বছরের জুনে উত্তর কোরিয়ার একটি বেসামরিক এলাকায় তৃতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকের মধ্য দিয়ে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট হিসেবে উত্তর কোরিয়ার মাটিতে পা রাখেন।
সূত্র : এএফপি।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...