বিজ্ঞাপন
শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাতে এক অভিনন্দন বার্তায় উপাচার্য বলেন, রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের অভিষেক বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক অভিযাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা করেছে। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন, দেশ ও মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা, অভিজ্ঞতা, প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতা রাষ্ট্রের এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
উপাচার্য বলেন, মহামান্য রাষ্ট্রপতি একই সঙ্গে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য। তাঁর অভিভাবকসুলভ নেতৃত্ব, দিকনির্দেশনা ও পৃষ্ঠপোষকতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চশিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন, গবেষণার প্রসার, উদ্ভাবন, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা এবং দক্ষ ও দেশপ্রেমিক মানবসম্পদ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।
তিনি আরও বলেন, জ্ঞান, গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি আন্তর্জাতিক মানের আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করার যে প্রত্যয় আমরা ধারণ করি, মহামান্য রাষ্ট্রপতির প্রজ্ঞাপূর্ণ নেতৃত্ব ও সহযোগিতা সেই পথচলায় আমাদের অনুপ্রেরণা জোগাবে। তাঁর পৃষ্ঠপোষকতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশ আরও সমৃদ্ধ হবে এবং জাতীয় উন্নয়নে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান আরও সুদৃঢ় হবে।
অভিনন্দন বার্তায় মহামান্য রাষ্ট্রপতির সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু, শান্তি ও সার্বিক সাফল্য কামনা করেন উপাচার্য। তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন, মহামান্য রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের অভিজ্ঞতা, প্রজ্ঞাপূর্ণ ও দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ গণতন্ত্র, ন্যায়, শান্তি, সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের পথে আরও দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাবে।
“মহামান্য রাষ্ট্রপতির নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাক সমৃদ্ধি, সুশাসন, গণতন্ত্র ও জ্ঞানভিত্তিক উন্নয়নের এক নতুন দিগন্তের পথে।”
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...