বিজ্ঞাপন
বুধবার (২৬ আগস্ট) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাশিয়ানী উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য অফিসের যৌথ অভিযানে সিংগাই ইউনিয়নের মলবাজার এলাকার একটি দোকান থেকে মাছ ধরার কাজে ব্যবহৃত ওই ইলেকট্রনিক শক লাইটটি জব্দ করা হয়।
অভিযান পরিচালনার সময় শক লাইটটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। পরে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে জব্দ করা ইলেকট্রনিক শক লাইটটি আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
কাশিয়ানী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আসলাম হোসেন শেখ বলেন, ইলেকট্রনিক শক লাইটের মাধ্যমে মাছ ধরা মৎস্যসম্পদ ও জলজ জীববৈচিত্র্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এ ধরনের যন্ত্র ব্যবহার করে মাছ ধরার সময় নির্বিচারে বড় মাছের পাশাপাশি পোনা, মাছের ডিম এবং অন্যান্য জলজ প্রাণী ধ্বংস হয়। একই সঙ্গে মাছের স্বাভাবিক প্রজননও বাধাগ্রস্ত হয়।
তিনি আরও বলেন, অবৈধ ও ক্ষতিকর পদ্ধতিতে মাছ ধরা বন্ধে মৎস্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।
মৎস্যসম্পদ ও জলজ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় অবৈধভাবে শক লাইটসহ ক্ষতিকর সরঞ্জাম ব্যবহার করে মাছ ধরা থেকে বিরত থাকতে তিনি সবাইকে আহ্বান জানান। পাশাপাশি মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন।
স্থানীয়দের মতে, নদী-খাল, বিল ও অন্যান্য জলাশয়ে বৈদ্যুতিক শক ব্যবহার করে মাছ ধরলে অল্প সময়ে বেশি মাছ ধরা সম্ভব হলেও এর দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি অত্যন্ত ব্যাপক। বিশেষ করে প্রজননক্ষম মাছ, পোনা ও অন্যান্য জলজ প্রাণী ধ্বংসের কারণে ভবিষ্যতে দেশীয় মাছের উৎপাদন ও বৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়তে পারে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...