Logo Logo

সৈয়দপুরে ৩০ হাজার মানুষের অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য জশনে জুলুস অনুষ্ঠিত


Splash Image

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে নীলফামারীর সৈয়দপুরে প্রতিবছরের ধারাবাহিকতায় এবারও বর্ণাঢ্য ও সুবিশাল ‘জশনে জুলুস’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘আঞ্জুমানে গাউসিয়া আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত’-এর উদ্যোগে আয়োজিত ধর্মীয় শোভাযাত্রায় প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি গভীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন হাজারো ধর্মপ্রাণ মানুষ।


বিজ্ঞাপন


বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল থেকেই সৈয়দপুর শহরের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা থেকে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা জিকির, সালাত ও সালাম পেশ করতে করতে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে ঐতিহাসিক সৈয়দপুর রেলওয়ে মাঠে সমবেত হতে থাকেন। বেলা ১০টার দিকে পুরো রেলওয়ে মাঠ বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতিতে জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

আয়োজকদের দাবি, এবারের জশনে জুলুসে প্রায় ৩০ হাজার আশেকে রাসুল স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। পরে রেলওয়ে মাঠ থেকে শোভাযাত্রাটি শুরু হয়ে সৈয়দপুর শহরের গুরুত্বপূর্ণ প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে। প্রায় ১০ কিলোমিটার পথ পরিক্রমাকালে অংশগ্রহণকারীদের হাতে ছিল সবুজ পতাকা ও কলেমা খচিত ব্যানার। বিভিন্ন স্থানে সুসজ্জিত তোরণও শোভাযাত্রাটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে।

শোভাযাত্রা চলাকালে নাত-এ-রাসুল, জিকির ও ‘নারায়ে তাকবির’ ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে সৈয়দপুর শহরের বিভিন্ন সড়ক ও আশপাশের এলাকা। ধর্মীয় আবহে হাজারো মানুষের অংশগ্রহণে পুরো শহরে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

ঐতিহাসিক এ জশনে জুলুসের সার্বিক নেতৃত্ব দেন সৈয়দ শাহ আহমেদ জামাল আশরাফ আশরাফী আল জিলানী। শোভাযাত্রা শেষে পুনরায় সৈয়দপুর রেলওয়ে মাঠে সমবেত হন অংশগ্রহণকারীরা।

পরে সেখানে প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর পুণ্যময় জীবন, আদর্শ ও সুন্নাহ অনুসরণের গুরুত্ব নিয়ে এক ভাবগম্ভীর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা মহানবী (সা.)-এর শিক্ষা ও আদর্শ অনুসরণের মাধ্যমে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রজীবনে শান্তি প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে দেশ, জাতি এবং বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও ঐক্য কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...