Logo Logo

কোটালীপাড়ায় ৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা


Splash Image

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় ৩ লাখ টাকা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগে হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন আছমা বেগম নামে এক নারী। মামলায় দণ্ডবিধির ৪০৬ ও ৪২০ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।


বিজ্ঞাপন


আদালতে দাখিল করা মামলার নথি ও অঙ্গীকারনামা থেকে জানা গেছে, আছমা বেগম ও হাবিবুর রহমানের মধ্যে আগে থেকেই পরিচয় ও পারিবারিক ঘনিষ্ঠতা ছিল। সেই সম্পর্কের সূত্র ধরে আর্থিক প্রয়োজনে হাবিবুর রহমান তাঁর কাছে টাকা ধার চান বলে অভিযোগ করেছেন আছমা বেগম।

মামলার আরজিতে বলা হয়েছে, ২০২২ সালের ২৮ আগস্ট বিকেলে কোটালীপাড়া উপজেলার টুপুরিয়া এলাকায় বাদীর স্বামীর বসতঘরের একটি কক্ষে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে হাবিবুর রহমানের নামে দুটি নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা সম্পাদন করা হয়। এরপর তাঁকে নগদ ৩ লাখ টাকা দেওয়া হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, অঙ্গীকারনামায় ছয় মাসের মধ্যে ওই টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। তবে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও হাবিবুর রহমান টাকা ফেরত দেননি। বরং বিভিন্নভাবে সময়ক্ষেপণ করেছেন বলে অভিযোগ বাদীর।

নথিতে আরও উল্লেখ করা হয়, টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য আছমা বেগম, তাঁর ছেলে ও মামলার সাক্ষীরা একাধিকবার হাবিবুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। সর্বশেষ ২০২৪ সালের ৮ নভেম্বর তাঁর বাড়িতে গিয়ে টাকা ফেরতের দাবি করা হলেও তিনি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।

পরে পাওনা টাকা উদ্ধারে বিভিন্নভাবে চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন আছমা বেগম। মামলার সঙ্গে হাবিবুর রহমানের নামে করা অঙ্গীকারনামার একটি কপিও দাখিল করা হয়েছে।

আছমা বেগম সাংবাদিকদের বলেন, হাবিবুর রহমানকে আদালতের মাধ্যমে জেলা হাজতে পাঠানো হয়েছিল। পরবর্তীতে তিনি দ্রুত সময়ের মধ্যে বিষয়টি মীমাংসার মুচলেকা দিয়ে ২০ থেকে ২২ দিনের মাথায় জামিনে মুক্ত হন। তবে জামিনে বের হওয়ার পর তিনি টাকা ফেরত দেননি এবং কোনো মীমাংসায়ও আসেননি।

আছমা বেগম বলেন, “টাকা ফেরত ও মীমাংসা—কোনোটারই মুখ দেখিনি।”

মামলায় হাবিবুর রহমানকে একমাত্র আসামি করা হয়েছে। তিনি কোটালীপাড়া উপজেলার টুপুরিয়া এলাকার বাসিন্দা।

তবে তাঁর বিরুদ্ধে আনা এসব অভিযোগের বিষয়ে হাবিবুর রহমানের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মামলায় উত্থাপিত অভিযোগের সত্যতা এবং দায়-দায়িত্ব আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...