বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিকেলে ডুবে যাওয়া ট্রলারের স্থান থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত সাইকুল মীর পাথরঘাটা উপজেলার সদর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের শাহাদাত মীরের ছেলে। উদ্ধার করা মরদেহ বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে পাথরঘাটার ঘাটে পৌঁছায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরের দিকে বৈরী আবহাওয়া ও সাগরে প্রচণ্ড ঢেউয়ের কারণে ‘এফবি বরকত’ নামের মাছ ধরার ট্রলারটি ডুবে যায়। ট্রলারটিতে মোট ১৩ জন জেলে ছিলেন। দুর্ঘটনার পর আট জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও নিখোঁজ ছিলেন আরও পাঁচজন।
দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর নিখোঁজ জেলেদের সন্ধানে জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে দুটি ট্রলার সমুদ্রে পাঠানো হয়। পরে উদ্ধার অভিযানে ডুবুরি দলও যুক্ত করা হয়। নিখোঁজ জেলেদের সন্ধানে সমুদ্রে থাকা দুটি ট্রলারের জেলেরা বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি চালাতে থাকেন।
মঙ্গলবার বিকেলে ডুবে যাওয়া ট্রলারের স্থান থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে সমুদ্রে একজনের মরদেহ ভাসতে দেখেন উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা। পরে মরদেহটি উদ্ধার করে ট্রলারে তোলা হয়। বুধবার সকালে সেটি পাথরঘাটার ঘাটে নিয়ে আসা হয়।
বরগুনা জেলা মৎস্য মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, দুর্ঘটনার পরপরই সমিতির পক্ষ থেকে দুটি ট্রলার পাঠানো হয়। পরে সেখানে ডুবুরি দলও পাঠানো হয়। উদ্ধারকারী ট্রলার দুটি নিখোঁজ জেলেদের সন্ধানে তল্লাশি চালানোর একপর্যায়ে মঙ্গলবার বিকেলে একজনের মরদেহ ভাসতে দেখে তা উদ্ধার করে। পরে বুধবার সকালে মরদেহটি ঘাটে নিয়ে আসা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নিখোঁজ অন্য চার জেলের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...