Logo Logo

গোবিপ্রবিতে দু’দিনব্যাপী ‘ইন্টারডিসিপ্লিনারি সামিট ’ অনুষ্ঠিত


Splash Image

গবেষণা, উদ্ভাবন ও টেকসই উন্নয়নকে কেন্দ্র করে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গোবিপ্রবি) দুই দিনব্যাপী ‘ইন্টারডিসিপ্লিনারি সামিট ২০২৬’ সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘বৈশ্বিক প্রভাবের জন্য চিন্তার মিলন’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে প্রথমবারের মতো এ গবেষণা সম্মেলনের আয়োজন করে ‘জিএসটিইউ গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কাউন্সিল’।


বিজ্ঞাপন


এতে ৭টি ডিসিপ্লিনে দেশের ৪০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষক ও শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। জমা পড়া ১৩৬টি গবেষণাপত্র যাচাই-বাছাই শেষে সম্মেলনে ৬৬টি মানসম্মত গবেষণাপত্র উপস্থাপন ও সেগুলোর ওপর গভীর আলোকপাত করা হয়।

গতকাল শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে আয়োজিত সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন গোবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সম্মেলন আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক এবং ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন বায়োসায়েন্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. নিয়াজ আল হাসান। অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের গবেষণায় অনুপ্রাণিত করতে ৭টি ডিসিপ্লিনের সেরা গবেষকদের হাতে ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেন উপাচার্য।

এর আগে গত শুক্রবার শুরু হওয়া এই সম্মেলনে প্রকৌশল, জীবনবিজ্ঞান, কৃষি, ব্যবসায় শিক্ষা, মানবিক ও সমাজবিজ্ঞানসহ সাতটি স্বতন্ত্র সেশনে একত্রিত হয়ে দেশের স্বনামধন্য গবেষক ও শিক্ষার্থীরা তাঁদের নিজ নিজ গবেষণা, চিন্তা ও উদ্ভাবনী সমাধান তুলে ধরেন। এসব সেশন পরিচালনা করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং গোবিপ্রবির শীর্ষস্থানীয় গবেষকবৃন্দ।

সমাপনী বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান বলেন, দেশের দূর-দূরান্তের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কষ্ট স্বীকার করে অংশগ্রহণকারী গবেষকদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। এই বৃহৎ গবেষক সম্মেলনের আয়োজন আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি বড় অর্জন। দেশকে সুদৃঢ়ভাবে এগিয়ে নিতে গবেষণার কোনো বিকল্প নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, আজকের তরুণ গবেষকদের কাজই ভবিষ্যতের বাংলাদেশ বিনির্মাণে ভূমিকা রাখবে। শিক্ষার্থীদের গবেষণা আরও মানসম্মত করতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ল্যাব সুবিধা বৃদ্ধিতে কাজ চলছে বলেও জানান তিনি।

সম্মেলন আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক সহকারী অধ্যাপক ড. নিয়াজ আল হাসান জানান, বিভিন্ন শাখার জ্ঞান ও দৃষ্টিভঙ্গিকে একই প্ল্যাটফর্মে এনে জলবায়ু পরিবর্তন, জনস্বাস্থ্য, খাদ্য নিরাপত্তা, টেকসই প্রযুক্তি, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, নৈতিকতা ও সামাজিক স্থিতিশীলতার মতো বৈশ্বিক ও জাতীয় সংকটের বাস্তবমুখী সমাধান খুঁজে বের করাই ছিল এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...