বিজ্ঞাপন
আজ রোববার (৩০ আগস্ট) উপজেলা পরিষদ কনফারেন্স রুমে 'অ্যাক্সেস টু অ্যান্ড ইউটিলাইজেশন অব লাইভসেভিং সার্ভিসেস বাই মার্জিনালাইজড কমিউনিটিস ইন চিটাগাং হিল ট্র্যাক্টস ইন বাংলাদেশ' শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এবং হেলেন কেলার ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের সহযোগিতায় এই সভার আয়োজন করা হয়।
২ নম্বর কেংড়াছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান রামাচরণ মার্মা (রাসেল)-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. ওমর ফারুক। সভায় প্রকল্পের মূল লক্ষ্য ও মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করেন প্রকল্পের উপজেলা সমন্বয়কারী রবীন চন্দ্র চাকমা।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক শান্তি রায় চাকমা, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রুবেল বড়ুয়া, কার্বারী থুইপ্রু মার্মা এবং বিলাইছড়ি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক অসীম চাকমা। এ সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, কার্বারী ও প্রথাগত সামাজিক নেতা, সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের শিশুদের পুষ্টির মানোন্নয়নে সামাজিকভাবে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। খাদ্য সংগ্রহ থেকে শুরু করে রান্নার সঠিক নিয়ম অনুসরণ এবং স্বাস্থ্যসম্মতভাবে খাবার পরিবেশন নিশ্চিত করা গেলে শিশুদের পর্যাপ্ত পুষ্টির চাহিদা পূরণ করা সম্ভব। এ বিষয়ে সর্বস্তরে ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টির ওপর জোর দেন আলোচকরা।
প্রকল্প সূত্র জানা যায়, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে আশিকা ডেভেলপমেন্ট এসোসিয়েটস এই পাইলট প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে আসছে। এর মূল লক্ষ্য হলো সমন্বিত পুষ্টি, খাদ্য নিরাপত্তা এবং নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি (WASH) কার্যক্রমের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের ৫ বছরের কম বয়সী ঝুঁকিপূর্ণ শিশু ও তাদের পরিবারের পুষ্টিগত অবস্থা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার উন্নয়ন ঘটানো।
প্রকল্পের আওতায় আশঙ্কাজনক পুষ্টিহীনতায় ভোগা (SAM) শিশু পরিবারকে পুষ্টি খাদ্য সহায়তা বাবদ ২ হাজার ৫৫০ টাকা এবং মাঝারি পুষ্টিহীনতায় ভোগা (MAM) শিশু পরিবারকে ১ হাজার ৮৩৫ টাকা করে প্রদান করা হবে। এ ছাড়া সম্পদের মানদণ্ড বিবেচনায় বাছাইকৃত পরিবারগুলোকে আয়বর্ধক কাজের সহায়তার জন্য ১০ হাজার টাকা, শিশুদের জন্য খাবার বাটি-চামচ এবং স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটারি ল্যাট্রিন প্রদান করা হবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...