বিজ্ঞাপন
এ ঘটনায় মো. কামাল উদ্দিন (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রতন শেখ পিপিএমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল নোয়াপাড়া গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে এসআই অভিজিৎসহ থানার অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা অংশ নেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নোয়াপাড়া গ্রামের মো. কামাল উদ্দিনের খড়ের ঘরে তল্লাশি চালানো হয়।একপর্যায়ে খড়ের ভেতরে বিশেষভাবে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় ১৩৯ বোতল অবৈধ ভারতীয় মদ এবং ৮৪ হাজার পিস ভারতীয় নাসির বিড়ি উদ্ধার করা হয়। পরে এসব অবৈধ পণ্য রাখার অভিযোগে কামাল উদ্দিনকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।
পুলিশের প্রাথমিক হিসাবে উদ্ধারকৃত ভারতীয় মদ ও নাসির বিড়ির আনুমানিক বাজারমূল্য ৬ লাখ ১২ হাজার টাকা। পুলিশের ধারণা, সীমান্তপথে চোরাচালানের মাধ্যমে এসব ভারতীয় মদ ও বিড়ি সুনামগঞ্জে আনা হয়ে থাকতে পারে। তবে এসব অবৈধ পণ্যের উৎস, সরবরাহকারী ও এর সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এ ঘটনায় আটক কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রতন শেখ পিপিএম অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “পুলিশ সুপার স্যারের নির্দেশনায় সুনামগঞ্জ জেলাকে মাদকমুক্ত করতে আমরা বদ্ধপরিকর। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা নিজ নিজ এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছেন। মাদক ও চোরাচালানের সঙ্গে জড়িতদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।”
পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকলে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে ভারতীয় মদসহ বিভিন্ন ধরনের চোরাচালানি পণ্য প্রবেশ ও মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...