ছবি : সংগৃহিত
বিজ্ঞাপন
কিন্তু হঠাৎ করেই কয়েকজন ব্যক্তি প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেন যে সাহারানপুর জেলাশাসকের অফিসের কাছে যে মসজিদটি রয়েছে সেটা অবৈধভাবে নির্মাণ করা হয়েছে। এবং সেটা সরকারি জায়গায় রয়েছে। আর এই অভিযোগ পাওয়ার পর প্রশাসন তৎপরতার সঙ্গে মসজিদ কমিটিকে ৬.৪১ কোটি টাকা জরিমানা করে। আর এই জরিমানা না দিতে পারার কারণে মসজিদটি ভেঙে ফেলার কথা বলা হয়। সেই সময় মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে জেলা আদালতে আবেদন করা হয় জেলা আদালত প্রশাসনিক এই সিদ্ধান্তের উপর কোন স্থগিতাদেশ দেয়নি। কিন্তু প্রশাসন জেলা আদালতের এই সিদ্ধান্ত আসার পর কোনরকম সময় নষ্ট না করে রাতের অন্ধকারে মসজিদটি ভেঙে দেয়। এ নিয়ে দেশ জুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে এবং একই সঙ্গে বিশ্বে ভারতের সুনাম বিনষ্ট হয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে সাহারানপুর মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে এলাহাবাদ হাইকোর্টে আবেদন করা হয়েছিল। শুক্রবার (১১ সেপ্টম্বর) এলাহাবাদ হাইকোর্ট এই মামলার শুনানিতে পুরো কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রশাসনের করা ৬.৪ ১ কোটি টাকা যে জরিমানা হয়েছিল তার উপরে স্থগিতাদেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। এরপর সরকারের কাছ থেকে হাইকোর্ট জানতে চেয়েছে যে, কেন ওই মসজিদটি দ্রুত ভেঙে ফেলা হয়েছে। আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে হাইকোর্টের এই প্রশ্নের উত্তর যোগী সরকারকে দিতে হবে। এখন পরবর্তী সময় হাইকোর্ট কী বলে সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে দেশের সাধারণ জনতা।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...