বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ডোমরাকান্দি নুরুল ইসলাম ফাজিল মাদ্রাসার সংলগ্ন এলাকায় এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।
মানববন্ধনে এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। এ সময় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বক্তারা বলেন, সিরাজ মোল্লা দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রেখে যেকোনো প্রয়োজনে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। বিশেষ করে স্থানীয় কৃষক ও সাধারণ মানুষের বিপদে-আপদে তাঁর সার্বিক সমর্থনের কথা কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন তাঁরা।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া স্থানীয়রা জানান, কারও বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ উঠলেই যাচাই ছাড়া সেটিকে সত্য হিসেবে ধরে নেওয়া অন্যায়। অভিযোগের প্রকৃত সত্যতা নিশ্চিত করতে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি। নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা জনসমক্ষে প্রকাশের দাবি জানান তাঁরা।
এ বিষয়ে এক স্থানীয় কৃষক বলেন, ‘সিরাজ মোল্লা সর্বদাই এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থেকেছেন। মানুষের যেকোনো বিপদে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী সাহায্য করেন। তাঁর বিরুদ্ধে এই ধরনের কাল্পনিক অভিযোগ আমরা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছি না। আমরা চাই, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে আসল সত্য উন্মোচিত হোক।’
নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রসঙ্গে সিরাজ মোল্লা জানান, ‘আমি সর্বদা এলাকার মানুষের পাশে থেকে সেবা করার চেষ্টা করেছি। কারও ক্ষতি করা কিংবা কোনো অবৈধ কর্মকাণ্ডে যুক্ত হওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। আমার বিরুদ্ধে উত্থাপিত বালু উত্তোলনের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। সুষ্ঠু তদন্ত হলেই এর সত্যতা বেরিয়ে আসবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এলাকার সাধারণ মানুষই আমার স্বজন। তাঁদের ভালোবাসা ও সমর্থনই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি।’
এদিকে মানববন্ধন সম্পন্ন হওয়ার পরপরই তাঁকে মুঠোফোনে হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সিরাজ মোল্লা। তাঁর দাবি, এলাকাবাসী স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাঁর পক্ষে অবস্থান নেওয়ায় একটি ক্ষুব্ধ পক্ষ মুঠোফোনে তাঁকে সরাসরি হুমকি প্রদান করেছে।
ঘটনার বিবরণ দিয়ে সিরাজ মোল্লা বলেন, ‘সাধারণ মানুষ আমার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে, তা হয়তো কোনো নির্দিষ্ট পক্ষের সহ্য হয়নি। মানববন্ধনের পরেই আমাকে ফোনে হুমকি দেওয়া হয়েছে। এতে আমি নিরাপত্তার বিষয়ে উদ্বিগ্ন। প্রশাসনের কাছে আকুল অনুরোধ, নিরপেক্ষভাবে বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা বের করে আনা হোক।’
তবে মুঠোফোনে হুমকি দেওয়ার এই অভিযোগ প্রসঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে অভিযুক্ত অপর পক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
সিরাজ মোল্লা স্পষ্ট করেন যে, তিনি কোনো ধরনের প্রতিশোধমূলক কর্মকাণ্ডে যেতে চান না এবং এ বিষয়ে আইন ও স্থানীয় প্রশাসনের ওপর পূর্ণ আস্থা রাখছেন।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া স্থানীয়দের জোর দাবি, ব্যক্তিগত বিরোধ বা স্বার্থসিদ্ধির উদ্দেশ্যে যেন কারও সামাজিক সম্মান ক্ষুণ্ন করা না হয়। তাঁরা দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা সামনে আনার জোরালো দাবি জানান।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...