বিজ্ঞাপন
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা নতুন বেতন কাঠামোয় নির্ধারিত বাড়তি মূল বেতনের ৪০ শতাংশ এবং ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ৫০ শতাংশ হারে পাবেন। এই অর্থ গত ৩০ জুন আহরিত বা প্রাপ্য বেতনের সঙ্গে যুক্ত হবে।
আগামী ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা বাড়তি মূল বেতনের ৭০ শতাংশ এবং ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ৭৫ শতাংশ হারে পাবেন। এরপর ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে নতুন বেতন কাঠামোয় নির্ধারিত বাড়তি মূল বেতনের শতভাগ কার্যকর হবে।
নতুন বেতন কাঠামো চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হওয়ায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এ সময়ের বকেয়া বেতনও পাবেন।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন বেতন কাঠামোর আওতায় অন্যান্য সব ভাতা পাওয়া শুরু করবেন। একইভাবে পেনশন সুবিধাভোগীরাও নতুন কাঠামো অনুযায়ী প্রাপ্য সুবিধা পাবেন।
নতুন বেতন কাঠামোয় ১ম থেকে ১০ম গ্রেডের কর্মকর্তাদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। অন্যদিকে, ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়বে। এর সঙ্গে আনুপাতিক হারে বিভিন্ন ধরনের ভাতাও বাড়ানো হবে।
এর আগে গত ৩১ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে নতুন বেতন কাঠামো অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে শনিবার এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হলো।
সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের সুপারিশ চূড়ান্ত করতে গত ২১ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনিকে সভাপতি করে ১০ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। ওই কমিটিই নতুন বেতন কাঠামোর সুপারিশ চূড়ান্ত করে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...