Logo Logo

জাতিসংঘে এখন কতটা গুরুত্ব পাচ্ছে মানবিক সংকটের প্রশ্ন?


Splash Image

আশি ও নব্বইয়ের দশকে জাতিসংঘের বিভিন্ন অধিবেশনে আফ্রিকাসহ বিশ্বের নির্যাতিত, অবহেলিত ও বঞ্চিত মানুষের অধিকার নিয়ে জোরালো বক্তব্য শোনা যেত। সে সময়ের অনেক রাষ্ট্রনায়ক ক্ষুধা, দারিদ্র্য, বৈষম্য ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। বিশ্বজুড়ে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও শান্তির পক্ষে তাদের অবস্থান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশেষ গুরুত্ব বহন করত।


বিজ্ঞাপন


দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার নিপীড়িত মানুষের অধিকার, যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশগুলোর পুনর্গঠন এবং সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির প্রশ্নও তখন আন্তর্জাতিক আলোচনায় গুরুত্ব পেত। এসব বক্তব্যে যুদ্ধ ও সংকটের মধ্যেও মানুষের নতুন করে বেঁচে থাকার স্বপ্ন প্রতিফলিত হতো।

তবে বর্তমান বাস্তবতায় জাতিসংঘের কার্যক্রম ও আলোচনার দিকে তাকালে প্রশ্ন উঠছে—মানবিক সংকট ও সাধারণ মানুষের অধিকার কি আগের মতোই আন্তর্জাতিক আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে?

জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনকে ঘিরেও আঞ্চলিক সংঘাত, যুদ্ধ, জ্বালানি ও ভূরাজনৈতিক স্বার্থের মতো বিষয়গুলো বিশেষভাবে আলোচিত হচ্ছে। কূটনৈতিক আলোচনায় বিভিন্ন রাষ্ট্রের নিজস্ব স্বার্থ ও কৌশলগত অবস্থানও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। ফলে জাতিসংঘের মূল উদ্দেশ্য—আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও মানবিক মূল্যবোধ রক্ষা—নিয়ে নতুন করে আলোচনা প্রয়োজন বলে মনে হতে পারে।

এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে আফ্রিকার দেশগুলোর মধ্য থেকে স্থায়ী সদস্যপদসহ বাংলাদেশের কূটনৈতিক অবস্থান নিয়ে যে আলোচনা করেছেন, তা বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির দৃষ্টিকোণ থেকে গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে উন্নয়নশীল ও স্বল্পোন্নত দেশগুলোর স্বার্থ আন্তর্জাতিক পরিসরে আরও জোরালোভাবে তুলে ধরার প্রয়োজনীয়তার বিষয়টিও এতে গুরুত্ব পেয়েছে।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...