বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার চাওড়া ইউনিয়নের ঘটখালী গ্রামের নিজ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তার গ্রেফতারের খবরে এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে।
চম্পা বেগম ওই গ্রামের মৃত আব্দুল হক বিশ্বাসের মেয়ে। স্থানীয়ভাবে তিনি ‘মাদক সম্রাজ্ঞী’ হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে বরগুনা ও পটুয়াখালীর বিভিন্ন এলাকায় মাদক কারবারসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ থাকলেও বারবার পুলিশের অভিযানে ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিলেন চম্পা। গ্রামে অবস্থান করেই আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তার বাড়িতে একাধিক সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা ছিল। পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকার অপরাধীদের নিয়ে একাধিক দল সক্রিয় রাখার অভিযোগও রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চম্পা বেগমের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে সাতটি মামলা রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চালিয়ে অবশেষে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সফল হয় আমতলী থানা পুলিশ।
আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ইয়াকুব হোসাইন বলেন, ‘মাদকের বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছি। মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তি যতই শক্তিশালী হোক না কেন, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। মাদক ক্রয়-বিক্রয়ের গডফাদার, মদদদাতা, পৃষ্ঠপোষক ও সহযোগীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে।’ এ সময় মাদক কারবারি ও তাদের সহযোগীদের বিষয়ে তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহায়তা করতে উপজেলার নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...