বিজ্ঞাপন
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের আগেই ইরানে হামলা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ট্রাম্পের একাধিক ঘনিষ্ট উপদেষ্টা ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরপরই দ্রুত সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।
এদিকে, গত ফেব্রুয়ারি মাসে ইরানে যখন প্রথম সামরিক অভিযান বা হামলা চালানো হয়, তখন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল যে মধ্যবর্তী নির্বাচনের অনেক আগেই এই সংঘাতের অবসান ঘটবে। কিন্তু তা দীর্ঘায়িত হওয়ায় ট্রাম্প বর্তমানে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং এর কারণ নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। এই ব্যর্থতার দায়ভার শেষ পর্যন্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ অথবা সেনাপ্রধান জেনারেল ডেন কেইনের কাঁধে চাপাতে পারেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
হোয়াইট হাউজের একটি সূত্রের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের প্রশাসনিক জনপ্রিয়তা বর্তমানে বেশ নিম্নমুখী। ওই সূত্রের দাবি, ইরানে সামরিক অভিযানের প্রকৃত পরিস্থিতি সম্পর্কে হেগসেথ বাড়িয়ে বলেছিলেন এবং প্রেসিডেন্টকে সবসময় সন্তুষ্ট রাখার চেষ্টা করেন। সূত্রটি আরও মন্তব্য করেছে, "প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যা শুনতে পছন্দ করেন, পিট হেগসেথ ঠিক সেটাই বলতে পটু।"
অন্যদিকে, সোমবার এক নির্বাচনী জনসভায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেই মন্তব্য করেছেন যে ইরানের সঙ্গে চলমান এই যুদ্ধ হয়তো খুব দ্রুতই শেষ হতে পারে।
তবে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র এবার ইরানে দীর্ঘমেয়াদী সংঘাতের বদলে স্বল্পকালীন কিন্তু অত্যন্ত তীব্র ও ধ্বংসাত্মক হামলার জোরালো প্রস্তুতি নিচ্ছে। মার্কিন এই সম্ভাব্য আগ্রাসনের প্রেক্ষিতে তেহরানও কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে।
ইরানের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, নতুন করে যুদ্ধ শুরু হলে তা কখন এবং কীভাবে শেষ হবে, সেটি সম্পূর্ণভাবে নির্ধারণ করবে তেহরান। অর্থাৎ, যুক্তরাষ্ট্র নিজের ইচ্ছামতো হামলা চালিয়ে যুদ্ধ শেষের ঘোষণা দেবে—এমনটি আর হতে দেওয়া হবে না।
সূত্র: দ্য আটলান্টা।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...