বিজ্ঞাপন
তবে কারখানা ছুটি হলেও থামেনি শ্রমিকদের আন্দোলন। মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছেন তারা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শ্রমিকদের সরাতে গেলে পুলিশ ও বিজিবির সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় পুলিশের তিনটি গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা। সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ বিজিবি সদস্য আহত হয়েছেন।
সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল থেকে গাজীপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের সফিপুর পল্লী বিদ্যুৎ ও চন্দ্র এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন শ্রমিকরা। বেলা ১১ টার দিকে শ্রমিকদের ছাত্র ভঙ্গ করতে বিজিবি ও পুলিশ ধাওয়া দেয়।
এ সময় আন্দোলনকারীদের ইটের আঘাতে বিজিবি সদস্য আহত হয়। অপরদিকে দুপুর ১২টার দিকে গাজীপুর মহানগরীর নাওজোর এলাকায় পুলিশের একাধিক গাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন আন্দোলনকারীরা।
ওই সময় সময় টিভির রিপোর্টার ও ক্যামেরাপারসনের ওপর হামলা করে ক্যামেরা ভাঙচুর করা হয়। এসএ টিভির ক্যামেরা পারসন পায়ে আঘাত পান।
গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার আমজাদ হোসেন বলেন, আজও শ্রমিকরা বিক্ষোভ করছেন৷ শ্রমিক আন্দোলনের কারণে দেড় শতাধিক কারখানা ছুটি দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ রাখতে বিজিবি, জেলা ও মহানগর পুলিশের সঙ্গে শিল্প পুলিশ কাজ করছেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...