বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এ তথ্য নিশ্চিত করেন নোবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী।
সভায় উপাচার্য বলেন, ‘সমাবর্তন শুধু সনদ বিতরণের অনুষ্ঠান নয়, এটি পুরো নোবিপ্রবি পরিবারের মিলনমেলা। এই দীর্ঘ সময়ে আমরা আমাদের যেসব প্রিয় শিক্ষার্থীকে হারিয়েছি, তাঁদের স্মৃতি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে অমলিন। সমাবর্তনের মূল আয়োজনে ১০ম থেকে ১৬তম ব্যাচের প্রয়াত শিক্ষার্থীদের স্মরণে তাঁদের পরিবারের হাতে মরণোত্তর সম্মাননা তুলে দেওয়া হবে।’
তিনি আরও বলেন, সমাবর্তনকে উৎসবমুখর ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। একই সঙ্গে সমাবর্তনে অংশগ্রহণের নিবন্ধন কার্যক্রমের অগ্রগতি এবং শিক্ষার্থীদের উত্থাপিত বিভিন্ন দাবি-দাওয়ার বিষয়েও প্রশাসন ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করছে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এ উদ্যোগকে প্রয়াত শিক্ষার্থীদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং তাঁদের অবদানকে সম্মান জানানোর একটি মানবিক প্রয়াস হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে সমাবর্তনের আনন্দঘন আয়োজনের পাশাপাশি নোবিপ্রবি পরিবারের হারানো সদস্যদেরও গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...