বিজ্ঞাপন
এই পরিস্থিতিতে, নিজেদের জমির ন্যায্য ক্ষতিপূরণ না পাওয়ায় ক্ষোভে ফুঁসছেন স্থানীয়রা। দ্রুত এই সমস্যার সমাধান না হলে, কাঙ্খিত সময়ে সেতুর কাজ সম্পন্ন হওয়া নিয়ে সংশয় থেকে যাচ্ছে, যা দীর্ঘায়িত করতে পারে এই অঞ্চলের মানুষের দুর্ভোগ। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) তত্ত্বাবধানে ৯৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ৬৭০ মিটার দীর্ঘ ও ৯.৮৩ মিটার প্রস্থের এই সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০২৩ সালের ১ অক্টোবর। ২০২৬ সালের ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এর কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, তাদের জমি অধিগ্রহণ করা হলেও ৩৫ শতাংশ কাজ শেষ হওয়ার পরেও তারা ক্ষতিপূরণের টাকা বুঝে পাননি। এর প্রতিবাদে তারা কলাতলা চরকামার কান্দি প্রান্তে সেতুর কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন।
নির্মাণাধীন এই সেতুটি আড়িয়াল খাঁ নদের দুই প্রান্তের কলাতলা ও নিলখীকে সংযুক্ত করবে, যা এই অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে বলে আশা করা হচ্ছে। সেতুটি নির্মিত হলে মাদারীপুর জেলার শিবচর ও রাজৈর উপজেলার মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা অত্যন্ত সহজ হবে। স্থানীয়দের মতে, এর ফলে রাজৈর, টেকেরহাট বন্দর এবং গোপালগঞ্জের মকসুদপুর থেকে শিবচরে প্রবেশের পথ প্রায় ৫০ কিলোমিটার কমে আসবে।
এই বিষয়ে এলজিইডির প্রকৌশলী কে.এম. রেজাউল করিম জানান, "সেতুর কাজ দ্রত গতিতে চলছে। আপাতত একপাশের কাজ বন্ধ থাকলেও, নদের অপর পাশের কাজ চলমান আছে।" ভূমি অধিগ্রহণের বিষয়ে তিনি বলেন, "ভূমি অধিগ্রহণের বিষয়টি আমরা বলতে পারবো না। আমরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পাঠিয়ে দিয়েছি। জমি অধিগ্রহণের জটিলতার বিষয়টি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ই বলতে পারবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...