বিজ্ঞাপন
এসময় ৭ থেকে ৮ জনের ডাকাতদল ওই ঘরের সব সদস্যকে মারধর করে ২৫ ভরি স্বর্ন ও ৫০ হাজার টাকা নিয়ে যায়। আহতরা প্রাথমিকভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন।
নিখিল কর্মকার বলেন, ডাকাতদল জনালার গ্রিল কেটে ভিতরে প্রবেশ করে কোন কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাকে মারধর শুরু করে। পরে তিনি অজ্ঞান হয়ে পরলে তার হাত ও পা মশারি দিয়ে বেঁধে সবকিছু ছিনিয়ে নেয় এবং তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকেও মারধর করে।
নিঝুম কর্মকার বলেন, আমি ভিন্ন রুমে রাতে ঘুমে ছিলাম। বাবা মার চিৎকার শুনে রুম থেকে বের হয়ে দেখি আমার বাবার গলায় ছুরি ধরা। আমি এমন দৃশ্য দেখে জোরে চিৎকার করি পরে আমাকে জোরে আঘাত করে এবং আমাকে বেঁধে ফেলে।
৫নং নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. আবুল কালাম বলেন, আমরা এমন ঘটনায় হতবিহ্বল হয়ে পড়েছি। আমাদের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সরেজমিনে পরিদর্শন করেছে। আশাবাদী দোষীদের আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হবে।
কলাপাড়া থানার ওসি জুয়েল ইসলাম বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পূর্ব শত্রুতার জেরে এ ঘটনা ঘটতে পারে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...