বিজ্ঞাপন
অভিযোগে জানা যায়, গদাইপুর গ্রামের অন্ধ মোস্তাক গাজীর কাছে ইউপি সদস্য আনিছুর রহমান ঘর করে দেয়ার কথা বলে ২০ হাজার টাকা দাবি করেন। মোস্তাক তাকে ১০ হাজার টাকা প্রদান করলেও কয়েক বছর পেরিয়ে গেলেও কোনো ঘরের ব্যবস্থা হয়নি। এছাড়া ভিজিডি কার্ড করে দেয়ার নামে আরও ৫ হাজার টাকা নেয়ার অভিযোগ করেন তিনি। মোস্তাকের বোন পারুলের কাছ থেকেও ঘর করে দেয়ার নামে ৮০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
একই গ্রামের হালিমা বেগমও অভিযোগ করে জানান, ভিজিডি কার্ড করে দেয়ার নাম করে তার কাছ থেকে ৪ হাজার টাকা নেয়া হলেও তিন বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো কোনো কার্ড পাননি তিনি। টাকা ফেরত চাইলে মেম্বার বিভিন্নভাবে সময়ক্ষেপণ করছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। স্থানীয়রা দাবি করেন, এভাবে অসংখ্য মানুষের কাছ থেকে একই কৌশলে টাকা আদায় করা হয়েছে।
অভিযোগকারীরা জানান, এলাকায় স্বাধীনভাবে তদন্ত করলে এই অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া যাবে। তারা আরও অভিযোগ করেন, স্বৈরাচারী হাসিনা সরকারের পতনের পর আনিছুর রহমান পলাতক ছিলেন এবং বর্তমানে একটি নাশকতা মামলায় উচ্চ আদালত থেকে তিন মাসের জামিনে আছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য আনিছুর রহমান বলেন, “আমি মোস্তাকের টাকা ফেরত দিয়ে দেব। আর পারুলের কাছ থেকে আমি সুদে টাকা নিয়েছি। তবে বর্তমানে আমি অর্থনৈতিকভাবে বেশ কষ্টে আছি।”
প্রতিবেদক - মোঃ আসাদুল ইসলাম, পাইকগাছা, খুলনা।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...