বিজ্ঞাপন
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) রাতে সাঘাটা উপজেলার কামালেরপাড়া ইউনিয়নের ওসমানের পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। শুক্রবার (২৯ আগস্ট) রাতে উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের ভাগগরীব গ্রাম থেকে তাদের আটক করে গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশ। পরে শনিবার আটকদের সাঘাটা থানায় হস্তান্তর করা হয়।
গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বুলবুল ইসলাম বলেন, “এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে স্বামী আসিফ মিয়াসহ সাতজনকে আটক করা হয়েছে। তদন্ত চলছে। প্রকৃত অপরাধীদের পরিচয় নিশ্চিত হলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সাঘাটা উপজেলার ওসমানেরপাড়া গ্রামের আশাদুল ইসলামের ছেলে আসিফ মিয়ার সঙ্গে সম্প্রতি গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের ওই মেয়ের বিয়ে হয়। গত বুধবার (২৭ আগস্ট) ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা দেনমোহর ধার্য করে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। বিয়ের পর স্বামী আসিফ মিয়া নববধূকে নিয়ে নিজ বাড়িতে যান। পরদিন রাতে ঘটে এ ন্যাক্কারজনক ঘটনা।
শুক্রবার দুপুরে নববধূ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে প্রথমে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানকার আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. ফাহাদ আল আসাদ বলেন, “শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে ওই নারী হাসপাতালে আসেন। প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হলে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তার শরীরে ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতনের আলামত পাওয়া গেছে।”
স্থানীয় বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম (৪৫) বলেন, “বুধবার গভীর রাতে বিয়ে হয়। কিন্তু বৃহস্পতিবার রাতেই নববধূ দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন।”
সাঘাটা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আমিনুল ইসলাম বলেন, “প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক সাতজনকে থানায় নেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা পরিষ্কার হবে।”
এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...