বিজ্ঞাপন
শনিবার (২৯ নভেম্বর) ভোররাত সাড়ে ৪টার দিকে আকস্মিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো শুক্রবার রাতের কাজ শেষে ব্যবসায়ীরা দোকান বন্ধ করে ঘরে ফিরে যান। কিন্তু ভোরের শান্ত পরিবেশ হঠাৎই ‘আগুন আগুন’ চিৎকারে কেঁপে ওঠে পুরো কাকচিড়া বাজার। লোকজন ছুটে এসে দেখতে পান দোকানগুলো দাউ দাউ করে পুড়ছে।
ক্ষতিগ্রস্ত দোকানগুলোর মধ্যে রয়েছে— মানিক মিয়ার দুইটি দোকান (সেলুন ও চায়ের দোকান), আনিস আকনের একটি মুদি দোকান, জাফর মিয়ার একটি ভ্যারাইটিজ দোকান, আনোয়ারের একটি চায়ের দোকান ও ইউনুস মিয়ার একটি চায়ের দোকান।
কাকচিড়া বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. গোলাম কবির বলেন, “ভোররাতে আগুনের শব্দ শুনে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখি ৬টি দোকানে আগুন লেগে গেছে। ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে তারা প্রায় দেড় ঘণ্টা পরে ঘটনাস্থলে আসে। তার আগেই স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে।”
তিনি আরও বলেন, “ক্ষতিগ্রস্তদের অধিকাংশই স্বল্প আয়ের মানুষ। কয়েক বছর ধরে কষ্ট করে দোকান গড়ে তোলার পর এক রাতের আগুনেই সব হারিয়েছেন। সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি ও সরকারি দপ্তরগুলোর প্রতি আমার আহ্বান—দ্রুত ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানো হোক।”
স্থানীয়দের দাবি, কাকচিড়া বাজারে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার ঘাটতি রয়েছে। আগের বেশ কয়েকবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলেও স্থায়ী কোনো নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তারা দ্রুত ফায়ার সার্ভিস সাব-স্টেশন স্থাপনসহ বাজারে নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানান।
অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তরা এখন পুরোপুরি নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। জীবিকার একমাত্র উৎস হারিয়ে তারা পুনরায় ব্যবসা দাঁড় করাতে সরকারি-বেসরকারি সহায়তার প্রত্যাশায় রয়েছেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...